ভারত পাকিস্তানের অস্থির পরিস্থিতি এখনও অব্যাহত। ক্ষণে ক্ষণে পরিস্থিতির যে বদল ঘটছে, তাতে কখন কি ঘটে, সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাই আগেই সতর্ক করা হয়েছে রাজ্যগুলিকে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকাতে বাড়ানো হয়েছে টহলদারি। এমনকি উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকাগুলিতে প্রতিনিয়ত বিএসএফের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এমনকি পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়ে তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাসপাতাল গুলিতে। যাতে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে যে কোনও মুহূর্তের জন্য পরিষেবা দিতে সক্ষম হয় তারা। শুধু তাই নয়, আগামী তিন মাস জেলাগুলিতে যাতে কোনও খাবারের সংকট তৈরি না হয় তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের তরফে। রবিবার ভার্চুয়াল বৈঠক করেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। সেখানেই তিনি বিভিন্ন বিষয়ে খতিয়ে দেখেন। রাজ্যের প্রতি জেলায় কত পরিমাণ খাবার মজুত রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করেন। এর পাশাপাশি বৈঠকে বিশেষ কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে। শুধু তাই নয়, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে করা টহলদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি হাসপাতাল গুলিতে চিকিৎসা পরিষেবা সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। যাতে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে চিকিৎসা পরিষেবায় কোনওরকম ঘাটতি তৈরি না হয়।
এছাড়াও আগেই রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়। এমনকি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে আলোচনা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের। কাধে কাধ মিলিয়ে কাজের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামগ্রিক পরিস্থিতির সামাল দেওয়ার জন্য নির্দেশ আসে। এমনকি যেকোনো পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করার জন্য নবান্ন থেকে বিবৃতি জারি করা হয়। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতিতেই কোনো ভাবে যাতে ভুয়ো তথ্য না ছড়ায় তার দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এখন কি এমনকি রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কোন রকম ত্রুটি না হয়, সেটার দিকেও বিশেষ নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও কোনওরকম স্পর্শকাতর তথ্য সামনে এলে, তড়িঘড়ি ডিজি কন্ট্রোল রুমে পাঠাতে হবে। এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির কন্ট্রোল রুমে কেবলমাত্র প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদেরই যেন রাখা হয়, সেই বিষয়টি প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ভারত পাকিস্তান সংঘর্ষ বিরতিতে গেলেও পাকিস্তান লংঘন করেছে। একের পর এক গোলাবর্ষণ ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের ওপর। কাজেই পরিস্থিতি কতটা সুদূরপ্রসারী হতে চলেছে, সেটা প্রশ্নতীত। এরমধ্যে রাজ্যগুলোর উপর যাতে কোনরকম প্রভাব না পড়ে তাই তৎপর থাকার বার্তা দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকে। বিশেষ করে নজরদারি চলছে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে।












Discussion about this post