ইতিমধ্যেই দু’দফা নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে রাজ্যে। আগামী সাতই মে তৃতীয় দফার নির্বাচন হবে রাজ্যজুড়ে। এবার প্রথম দু’দফা ভোটের হার নিয়ে গরমিলের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ ফরাক্কায় নির্বাচনী সভা ছিল মুখ্যমন্ত্রী। সেই সভা থেকে কমিশনকে নিশানা করে মমতা বলেন, “ইলেকশনেও চিটিং। বিজেপির কমিশন না হয়ে নিরপেক্ষ হয়ে উঠুন। মানুষ সত্য়িটা জানতে চায়। প্রথম দু’দফা ভোটের পর কমিশনের তরফে কোথায়, কত ভোট পড়েছে তার পার্সেন্টেজ জানানো হয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদপত্র কমি্শনকে উদ্ধৃত করে তা প্রকাশও করেছে। গতকাল রাত সাড়ে ৯টায় জানতে পারলাম, প্রথম দু’দফায ৫.৭০ শতাংশ ভোট ড্রপ আউট হয়েছে। যেখানে বিজেপির কম ভোট পোল হয়েছিল, হঠাৎ করে কমিশন নোটিস জারি করে সেখানে ভোট বাড়িয়ে দিয়েছে।” এরপরই কমিশনের উদ্দেশে মমতার প্রশ্ন, “এটা কীভাবে সম্ভব? ইভিএম মেশিন কারা তৈরি করেছে? ইভিএম মেশিনে চিট কারা তৈরি করেছে? এই সংখ্যাটা বাড়ল কী করে? প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় ভোটের হার কত ছিল? কত ভোটার ছিল, কত মেশিন ব্যবহার করা হয়েছিল, এটা আমরা জানতে চাই। প্রায় ১৯ লক্ষ ভোটার মেশিন মিসিং রয়েছে অনেকদিন ধরে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলো নিজের ইচ্ছেমতো লোকের ভোট পাল্টে দিয়ে নিজেদের মেশিন ঢুকিুয়ে দিচ্ছে।” মমতা আরো বলেন, “এটা আমার সন্দেহ। মানুষের সন্দেহ দূর করতে হবে। আসল সত্যিটা জানাতে হবে। এটা মানুষ জানতে চাই।” একেবারে সরাসরি ইভিএম কারচুপির ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার সংযোজন, “বিজেপি কমিশন হয়ে বসে থেকে কোনও লাভ নেই, আপনাকে নিরপেক্ষ কমিশন হিসেবে দেখতে চায় ভারতবর্ষের জনগণ।”
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post