বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোপন বৈঠক! অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে সরাতে আসরে নেমেছে সেনাবাহিনী। দেখা গেল বাংলাদেশের সেনা সদর দপ্তরের একটি গোপন বৈঠক করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার জামান। এই বৈঠকে উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন, তার উত্তর নিজেই খোঁজার চেষ্টা করেছেন সেনাপ্রধান। সামগ্রিকভাবে দেশের এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ জেনারেল ওয়াকার।
বাংলাদেশের এই বিশৃংখল পরিস্থিতির জন্য সাধারণ মানুষ পরোক্ষভাবে কিছুটা সেনাপ্রধান কেউ দায়ী করেছেন। কারণ, মোহাম্মদ ইউনুস কে অন্তর্বর্তী সরকারে বসানোতে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব ছিল গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা গিয়েছে মোহাম্মদ ইউনুস এর দলের ছাত্রনেতারা দেশের সাধারণ মানুষকে উসকে দিয়ে সেনাপ্রধানের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তাদের। অন্যদিকে সেনাপ্রধান এটিও বুঝতে পেরেছে যে ক্ষমতা ধরে রাখায় একমাত্র উদ্দেশ্য মোঃ ইউনুসের। কখনো দেখা গিয়েছে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নিজেকে সর্বাধিনায়ক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ইউনুস আবার কখনো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সে দেশের অন্তর্ভুক্তিক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। কিন্তু এখন সব থেকে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষ প্রশ্নবিদ্ধ করেছে সেনাপ্রধান কে। অচেনা প্রধানকে এর আগে স্পষ্ট তো বলতে শোনা গিয়েছে, আই হ্যাড ইনাফ ফর সেভেন মানথ, অর্থাৎ স্পষ্ট তো তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন সাধারণ মানুষকে, যে এখনো সময় আছে দেশকে বাঁচাতে নিজেদেরকে শুধরে নিন।
এরপর দেখা গেল সেনাপ্রধানকেই তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র শুরু করল মোহাম্মদ ইউনুস ও তার দল।
সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীতে সরকার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির দ্বারা একের পর এক পরিকল্পনা শুরু করেন প্রধান ও প্রচেষ্টা। জেনারেল ওয়াকার উদযাপন এর বিরুদ্ধে একাধিক গ্রুপিং করাও শুরু করা হয় বর্তমান সরকারের তরফে। এরপরই তিনি বিভিন্ন বিদেশ সফরে গিয়ে গ্রুপিং এর মাধ্যমে সেনাপ্রধান কে গ্রেফতারের ছক কষলেন। এখান থেকেই সেনাপ্রধানের কাছে পরিষ্কার হলো যে মোহাম্মদ ইউনুস নিজের স্বার্থের জন্য যে কোন ব্যক্তির ক্ষতি করতেও দুবার ভাববেন না।
আর একইভাবে সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তি চেয়েছিল পিছন থেকে ছুরি মেরে সেনাপ্রধান কে বিপদে ফেলতে অর্থাৎ সুকৌশলে সেনাপ্রধান কে তার পথ থেকে সরিয়ে দিয়ে সেনাপ্রধানের পদে নিজেদের ঘনিষ্ঠ কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে।
একের পর এক ষড়যন্ত্রের প্রদেশকে এবার সেনাপ্রধান বৈঠক করলেন সেনা সদস্যদের সঙ্গে। অর্থাৎ মোহাম্মদ ইউনুসকে সরাতে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে সেই বিষয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। এই বৈঠকে দাঁড়িয়ে সেনার সদস্যদের উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কখনোই এমন কোনো কার্যকলাপে যুক্ত হবে না, যা জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য ক্ষতিকর। তিনি সব পর্যায়ের সেনাসদস্যদের নিরপেক্ষ থাকার এবং ভবিষ্যতে নির্বাচনি দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের নির্দেশ দেন। এছাড়া সেনাবাহিনীর ক্যান্টনমেন্টে ফিরে যাওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। তবে নির্বাচনের পরও সেনাবাহিনীকে কয়েক মাস বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে হতে পারে বলেও মত দেন তিনি। অর্থাৎ তার এই একটি বক্তব্যের মাধ্যমেও দেশের আইন-শৃঙ্খলা, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেশের সংস্কার ও দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে তাই নির্বাচিত সরকারের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান।












Discussion about this post