কি এমন ঘটালেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান? কি এমন হল বাংলাদেশে ?যে সেনাপ্রধানের তৎপরতায়, তদরকী সরকার গঠিত হয়েছিল। এখন ছাত্রনেতারা প্রতিদিন সেইসেনাপ্রধানকে আক্রমন করছেন, শুধু তাই নয় সেনাপ্রধানকে দেশদ্রোহীও বলা হচ্ছে ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে।
ইউনূস সাহেব বিদেশে থাকলেও, সেনার বিরুদ্ধে কলকাঠি নাড়ায় কোন খামতি নেই।তাই সেনা তার কাজে গতি আনতে গেলেই, ইউনূসের সার্কাসবাহীনী সেনা এবং সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে আক্রমনে রাস্তায় নেমে যাচ্ছে, মুখ বদলে গেলেও সেনার বিরুদ্ধে আক্রমনের ধার বদলাচ্ছে না।। বাংলাদেশের সার্কাস পার্টি যারা ম্যাজিক করে, মানে কালাযাদু করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাথায় কোটা নামের ভুত ঢুকিয়ে আন্দোলোনে নামায়, আর বলতে গেলে তাদের ঘাড়ে বন্দুক রেখেই হাসিনা সরকারে পতন ঘটায়।। অলক্ষ্যে থেকে ছাত্রনেতারাই চক্রান্ত করে কিছু সাধারণ ছাত্রের মৃত্যু ঘটায়, অথবা লুকিয়ে রেখে মৃত বলে ঘোষনা করে। তার পর হাসিনা সরকার আন্দোলোনে পুলিশ ও আর্মির সাহায্যে বহু নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে বলে প্রচার করা হয়, কিন্তু আবুসাইদ এবং আর যে দু-একজন মারা গেছেন, যা দৃশ্যমান তা আবার বহু বিতর্কিত। এবং গতদিনে এক ছাত্রনেতার বাড়ী থেকে স্নাইপার রাইফেল উদ্ধার হওয়ার পর, সাধারণ মানুষের মনে এই প্রশ্ন জাগতে বাধ্য যে, সত্যিই কি পুলিশের গুলিতে কারো মৃত্যু হয়েছে নাকি ম্যাটিকুলাস প্লানের কারণে ছাত্রদের কে পাশ থেকে অথবা স্নাইপার দিয়ে খুন করিয়ে, সাধারণ মানুষকে খেপিয়ে তুলা হয়েছে, যে হাসিনা সরকার নিরীহ ছাত্রদের হত্যা করছে।সাধারণ মানুষের মনে এখন প্রশ্ন জাগলেও, এই সন্দেহটি প্রথম প্রকাশ করেন,এই তদারকী সরকারেরই প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা শাখাবৎ হোসেন। আর তার সেই সন্দেহের ফলে, তিনি তার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদটি হারিয়েছিলেন। কারণ তিনিই তদরকী সরকার গঠনের প্রায় দু-তিন দিনের মধ্যেই জুলাই আন্দোলোনকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রউপদেষ্টা হিসানে তিনি আন্সার সদস্যদের দেখতে হাসপাতালে যান। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন যে, এই আহত সদস্যদের অনেকেই সাত দশমিক ছয় দুই বোরের গুলিতে আহত হয়েছেন, এই ধরনের আহতের সংখ্যা শুধু ঐ হাসপাতালের ঘটনা নয় প্রায় সব হাসপাতালেই এই অবস্থা, তাহলে তার প্রশ্ন ছিল সাধারণ মানুষের হাতে এই ধরনের ভয়ঙ্কর অস্ত্র এল কি করে? কারা তুলে দিল সাধারণ মানুষের হাতে এই ভয়ঙ্কর অস্ত্র? এখন সেনাবাহীনির তৎপরতায় সেই সব ভয়ঙ্কর অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে ছাত্রনেতাদের বাড়ী থেকে। ফলে ইউনূসের সার্কাসবাহীনির লোকজন খেপে উঠেছে সেনাবাহীনির উপর, সেজন্য আক্রমন করা হচ্ছে সেনাবাহীনির মাথায় যিনি আছেন সেই সেনাপ্রধান অর্থাৎ ওয়াকার উজ জামানের উপর। ইদে সেনাপ্রধান সস্ত্রীক গিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস সাহেবের কাছে সৌজন্য বিনিময়ের জন্য। কিন্তু সেখানে কি সেনাপ্রধান শুধুই সৌজন্য বিনিময় করেছেন। নাকি ভোট ডিসেম্বরে না করালে দেশ কি কি অসুবিধার সম্মুখিন হবে তাও বিস্তারে বুঝিয়ে এসেছেন। শীতের মধ্যে ভোট না করালে বাংলাদেশে ভূ-প্রাকৃতিক আবহাওয়া বদল এবং মহরম বা আরও কিকি কারণগুলি বাধার সৃষ্টি করতে পারে তা নিয়ে অনেকেই বিশদে জানিয়েছেন, তাই আমরা সেই আলোচনায় গেলাম না। সেনাপ্রধানের সেই ভোটের আলোচনাটি হয়তো পছন্দ হয়নি মহম্ম ইউনূসের। তার পর আবার সেনা নেমেছে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারে, যা পাওয়া যাচ্ছে ছাত্রনেতাদের কাছ থেকে। তাই সন্দেহ করা হচ্ছে সেনা অস্ত্র উদ্ধারে তৎপর হতেই, সেনাকে বলা হচ্ছে এটি পাকিস্তান নয়, যে এখানে সেনা দেশের ভালো মন্দ ঠিক করবে। কারণ বাংলাদেশ এখন পিপুলস রিপাব্লিক, আর্মি রিপাব্লিক নয়। তাই সেনাপ্রধানকে দেশদ্রোহী বলা হচ্ছে।আর এই আক্রমন করছে ছাত্রনেতারা।












Discussion about this post