শেষ হল বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের এগারতম বিদেশ সফর। যে বিদেশ সফর একটি ঘটনাবহুল সফর এবং বিতর্কিত সফর। তার উপর নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারের বিপুল টাকা ধ্বংস করেছেন বলে প্রবলভাবে আলোচিত হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। শুধু তাই নয়, তার ১১ টি সফরের ব্যয় সামনে আনলে চোখ কপালে উঠবে বাংলাদেশের জনগণের।
প্রথমদিকে এই সফর নিয়ে বলা হয়েছিল, এটা একটি সরকারি সফর। এমনকি বলা হয়েছিল, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে। কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা গিয়েছে এইসব কিছুই না। সেগুলি সরকারের তরফে প্রায় মিথ্যে করে বলা হয়েছে। বরং বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক হয় প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের। অর্থাৎ তার লন্ডন শহরের মূল উদ্দেশ্য ছিল তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করা। কিন্তু বারে বারে একটা প্রশ্নই উঠছে, দেশের সমস্যা বা ইস্যু নিয়ে কেন বিদেশের মাটিতে বৈঠক? তথ্য এবং পরিসংখ্যান বলছে এখনও পর্যন্ত ইউনূস যে যে সফর করেছেন, তার মূল খরচ প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। পাশাপাশি ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭০ থেকে ৭৪ দিন মতো। মজার বিষয় হল, এতগুলো শহরের কোনও দেশে তাকে আমন্ত্রণ জানায়নি। সবগুলি সাফরই প্রায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদান। এবং লন্ডন সফরও বিতর্কিতভাবেই করা হয়েছে। সেখানেও তার ব্যক্তিগত পুরস্কার প্রাপ্তির জন্যই এই সফর বলে উঠে আসছে। কেউ কেউ বলছেন, বাংলাদেশের অন্দরে একাধিক সমস্যা। সেগুলিকে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান না মিটিয়ে শুধু বিদেশ সফর করছেন। যেখানে খরচ হচ্ছে বিপুল। এখনও কি মহম্মদ ইউনূসকে মসনদে দেখতে চান বাংলাদেশের মানুষ?
এমনকি লন্ডনের মাটিতে পা রাখা মাত্রই তিনি বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। তাকে গো ব্যাক স্লোগান শুনতে হয়েছে। অনেকে বলছেন, এই পরিস্থিতি অন্য কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে সম্ভবত পড়তে হয়নি। এমনকি হোটেল থেকে বেরোতে পারেননি প্রধান উপদেষ্টা। এমনটাই খবর। সব মিলিয়ে, সরকারের কারি কারি টাকা খরচ ছাড়া আর কিছুই হয়নি বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের। শুধুমাত্র করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে একটি বৈঠক। যে বৈঠক দেশের মাটিতেও করা যেত বলে বলছেন অনেকে। তবে কোনও গোপনে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস তারেক রহমানের সঙ্গে সমঝোতা করতে গিয়েছিলেন। যেটা এখন অনেক বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে। এখন দেখার, সরকারি টাকায় এইভাবে বিদেশ সফর বাংলাদেশের জনগণ কিভাবে দেখে বা প্রতিক্রিয়া দেয়!












Discussion about this post