ভোট বড় বালাই। ভোট টানতে যে যার সমীকরণ শুরু করেছে। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দীঘাতে, তখন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গোঘাটে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, হিন্দু ভোট টানতে যখন মরিয়া তৃণমূল তখন উল্টো চালে বিজেপিও। সংখ্যালঘু ভোট টানতে মরিয়া শুভেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজার আগেই ভোট টানতে ব্যস্ত দুই দলই।
দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের পর এই প্রথম রথযাত্রা। তাই মহা ধুমধামের সঙ্গে পালিত হচ্ছে রথ উৎসব। এদিকে রথযাত্রা কেমন হবে, নিরাপত্তার বিষয়ে প্রশাসনের উদ্দ্যেগ কেমন, রথ কোথা থেকে কোথায় যাবে, তদারকি করতে আগের দিন দীঘায় পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি প্রায় ৫ জন মন্ত্রী এবং একাধিক সচিবকে দীঘাতে নিয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দেখা যায়, তিনি কার্যত খাতা, পেন নিয়ে বুঝিয়ে দেন, রথের চাকা কোন দিকে যাবে। পাশাপাশি পুজো কখন শুরু হবে, কত মানুষের ভিড় আশা করা হচ্ছে, এই নিয়েও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কি বলেছেন তিনি শুনুন
এদিকে এই নিয়ে কটাক্ষ করছে বিরোধীরা। তারা বলছে, মুখ্যমন্ত্রী একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে নিয়ে যে মাতামাতি করেন, সেই তকমা গোছাতেই তিনি রথযাত্রা নিয়ে এত মাথা ঘামাচ্ছেন। এরই সুযোগে এদিকে খেলা শুরু করে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি গোঘাটের সানবাঁধি এলাকায় যান। সেখানে বিজেপির সক্রিয় কর্মকর্তা বাকিবুল্লা শেখের বাড়ি। সেখানে হাজির হন তিনি। গত শনিবার বাকিবুল্লা শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এবার তার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে আশ্বস্ত করেন বিরোধী দলনেতা। শুধু তাই নয়, পরিবারকে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ছেলে মেয়ের পড়াশোনা দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। এদিন তিনি কি বললেন শুনুন
ওয়াকিবহাল মহল বলছেন, একদিকে যখন মুখ্যমন্ত্রী হিন্দু ভোট টানতে চেষ্টা চালাচ্ছেন, তখন সংখ্যালঘুদের ভোট টানতে মরিয়া চেষ্টা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। প্রত্যেকটি দল যখন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের কর্মসূচি করছেন, ভোট টানার রাজনীতি করছেন, তখন ওয়াকিবহল মহল বলছে, শেষ কথা বলবে মানুষই।












Discussion about this post