ভারত বাংলাদেশকে কি শত্রু তালিকায় ফেলে দিল? গুগলে সার্চ করলে ভারতের শত্রু দেশ হিসাবে উঠে আসছে চিন। তারপর পাকিস্তান, তুর্কি, আজারবাইজান এবং বাংলাদেশ। তবে কি এবার বাংলাদেশের সঙ্গে সমস্ত লেনদেন বন্ধ করে দেবে ভারত? বিশেষ করে অর্থ সাহায্য? এমনিতেই পদ্মাপাড়ে ভারত বিরোধীতা বারতেই ভারত কিছু পদক্ষেপ করেছে বাংলাদেশের উপর। আর তাতেই নাজেহাল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অনেকে আবার বলছেন, ইউনূসের জন্যই ভারতের শত্রুর তালিকায় বাংলাদেশ।
এদিকে হাসিনাকে নিয়ে কি বড় কোনও সিদ্ধান্তে যাচ্ছে আমেরিকা?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদশের সঙ্গে ভারত সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার অপেক্ষায়। মনে করা হচ্ছে, যেদিন ভারতের হাইকমিশনার বাংলাদেশ থেকে চলে এসেছেন, সেদিন থেকেই সমস্ত রকম সম্পর্ক ছিন্ন হতে শুরু করেছে। এবার শুধু অফিসিয়ালি ঘোষণা করার অপেক্ষা। এদিকে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল সাংবাদিক সম্মেলন করে বলে দিয়েছেন, ভারত কখনোই সময় সীমার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করে না। যা ওয়াশিংটনকে একটি কঠোর বার্তা দেওয়ার জন্য দেখা যাচ্ছে যে শক্তিশালী কৌশল দুই দেশের মধ্যে উচ্চ স্তরের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে না। অর্থাৎ এক তরফা ভাবে চুক্তি করতে চাইলে সেটা ভারত মেনে নেবে না। আসলে বাণিজ্য চুক্তি তখনই সম্ভব, এখন দুপক্ষই সুযোগ সুবিধা পাবে। এবং দু পক্ষেরই লাভজনক হওয়া উচিত। এমনটাই বলেন বাণিজ্য মন্ত্রী। এরপরই জানা যায়, মার্কো রুবিও ফোন করেছিলেন পীযূষ গোয়েলকে।
এদিকে দেখা যায়, ২৫ শে মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি টুইট করেছিলেন। যেখানে তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ফিরে আসছেন খুব তাড়াতাড়ি। এক্ষেত্রে ভারত কিন্তু কখনোই এই কথা বলেনি। অন্তত সরকারি স্তরে এই নিয়ে কোনও কথাই হয়নি। পরে অবশ্য দেখা যায়, বাংলাদেশের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক পা এগোলে বিভিন্ন বিষয়ে আবার পিছিয়ে আসছেন। ফলে মার্কিন প্রশাসনের কার্যকলাপ নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান রয়েছে।
ইতিমধ্যেই পহেলা আগস্ট থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বেশ কিছু দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করছে। যে তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ ও। বাংলাদেশের উপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছে মার্কিন প্রশাসন। এমনকি হুঁশিয়ারি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে, এর বিরুদ্ধে যদি কিছু করা হয়, তবে আরও শুল্ক চাপানো হবে। এদিকে বাংলাদেশের সফিকুল আলম বলছেন, এই শুল্ক আমাদের কাছে আশীর্বাদ। তিনি আরও বলেন, এই ৩৫ শতাংশ শুল্ক আমাদের জন্য কোনও ক্ষতি হবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ এমন কথা কি করে বলতে পারে? যে দেশের মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে শুরু করেছে, বেকারত্ব বাড়ছে, জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া, সেখানে নতুন করে শুল্ক আরোপ করলে কিভাবে উঠে দাঁড়াবে বাংলাদেশ?











Discussion about this post