বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ভিতরে ভিতরে বাংলাদেশ পুড়ছে। দেশে লাগামহীনভাবে মূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে, বাড়ছে বেকারত্ব, অর্থনীতির হাল তলানিতে। এমনকি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক কারখানা। ছবিটা রাখুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ শুরু করছেন বিভিন্ন জায়গায়। এমনকি ভিসাতে কড়াকড়ি করেছে ভারত। ফলে চিকিৎসা ক্ষেত্রেও সমস্যাতে বাংলাদেশের মানুষ। ইতিমধ্যেই বিএনপির সঙ্গে মহম্মদ ইউনুসের সরকার দূরত্ব তৈরি করেছে। এবার জামাতের সঙ্গেও দূরত্ব তৈরি চেষ্টা হচ্ছে বলে খবর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামাত যখন এটা টের পাবে,তখন একটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম তৈরি হবে এনসিপির সঙ্গে। অর্থাৎ ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে চলেছে বাংলাদেশ। ক্রমশ গৃহ যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ।
আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের ভরসা ছিল বিএনপির উপরে। কিন্তু তারা নিজেরাই বিভিন্ন ইস্যুতে জড়িয়ে গিয়েছে। এমনকি প্রবলভাবে বিএনপি যে চাঁদাবাজি করছে, সেটা পরিষ্কার। ফলে এখন রয়েছে জামাত এমন এনসিপি। কিন্তু খবর, জামতকেও বাদ দেবেন মহম্মদ ইউনূস। ফলে সংঘাত যে আসন্ন, সেটা অনুমান করা যায়। অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ ভয় পাচ্ছিল, ভারত যদি কোনও একশন নেয়। কিন্তু এখন কি কেউ কেউ বলছেন, ভারতকে কিছুই করতে হচ্ছে না। নিজেদের মধ্যেই সমস্যা জড়িয়ে যাচ্ছে।
এরমধ্যেই একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর সামনে এসেছে। সেটা হল বিএনপি নাকি শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।
অনেকে এই খবর গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, এটা হতেই পারে। দেশ বাঁচাতে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ যে এক হতে পারে, সেই দিনও আসতে পারে। তবে বাংলাদেশ যে গৃহ যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে করা হবে বলা হলেও তার বাস্তবতা আসলে কি, সেটা নিয়ে সন্ধিহান প্রকাশ করছেন অনেকে। কারণ নির্বাচনের একটা বড় শর্ত হলেও সংস্কার। যেটা ছাত্র নেতা এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের প্রথম দাবি। তবে তো সেই সংস্কার করতে হলে আগে সেনাপ্রধান এবং রাষ্ট্রপতি কে সরাতে হবে। সূত্র বলছে, সেনাপ্রধানের সঙ্গে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল ইউনূসের, সেটা নাকি মিটে গিয়েছে। তবে পড়ে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি। যাকে অপসারণের বহুবার চেষ্টা করা হয়েছিল। অর্থাৎ এই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকেই জুলাই ঘোষণাপত্র ঘোষণা করা হবে বলে দাবি করা হয়েছে ছাত্র নেতাদের পক্ষ থেকে। সেটা করা হবে ৫ ই আগস্ট। তবে সেদিন যে একটা বড় ধরনের কিছু ঘটতে চলেছে বাংলাদেশে এটা বলাই বাহুল্য। কারণ ঘোষণা পত্র এবং জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপি কিছু ক্ষেত্রে পিছু হটতেই পারে। আর তাতেই পরিস্থিতি বেগতিক হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন দেখার, শেষমেষ কোথায় দাঁড়ায় বাংলাদশের পরিস্থিতি।












Discussion about this post