বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির বাড়ি আগেই ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে এবার কি টার্গেট বঙ্গবন্ধুর মাজার? ইতিমধ্যেই ভারতে বসেই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে দিলেন মুজিব কন্যা। জানা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলিতে সেই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে আওয়ামী লীগের সমস্ত নেতা, কর্মীরা সক্রিয় থাকেন এবং সতর্ক থাকেন। এর জন্য তৈরি হাসিনার ক্যাডাররা। যারা নাকি মুজিব বাহিনী বলেই পরিচিত। সূত্রের খবর, মাজারে হামলা চালানো হলে ঝাঁপিয়ে পড়বে ওই বাহিনী। একেবারে তারই প্রস্তুত রেখেছে হাসিনার দল। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, মহম্মদ ইউনূসের আমলে হওয়া সমস্ত কিছু পর্যবেক্ষণে রেখেছেন শেখ হাসিনা। প্রয়োজনে বড় সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক বছর পূর্ণ হয়ে গেল। বর্ষপূর্তিতে গোটা দেশব্যাপী পদযাত্রা শুরু করেছে ছাত্রনেতারা। জাতীয় নাগরিক পার্টির মিছিলে ভিড় জমাতে হাজির হচ্ছেন জামায়াতি ইসলামী এবং তাদের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবির। এদিকে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার রয়েছে। যেটি বাংলাদেশের একটি স্মৃতিসৌধ। আর সেই মাজারের ওপরেই নাকি হামলা হতে পারে বলে খবর। হামলা চালাতে পারে এনসিপি বা জামাতের ক্যাডার বাহিনী। এ কারণেই শোনা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগ যথেষ্ট সতর্ক। ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করে বিষয়টি আওয়ামী লীগের নিচু স্তর পর্যন্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি সূত্রের খবর, সোমবার এবং মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের তরফে সেনাবাহিনী এবং পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিয়ে সতর্কতার আবেদন জানানো হবে। এই বিষয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতা জানান, আওয়ামী লীগ অশান্তি চায় না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর মাজারে টোকা মারলে রক্তগঙ্গা বইয়ে যাবে। এমনকি জানা যায়, এনসিপি, জামাত এবং বিএনপির নেতারা গোপালগঞ্জ, টুঙ্গিপাড়া সহ আশপাশের বহু জেলাতে আশ্রয় নিয়েছে। সুযোগ বুঝে মাজারে হামলা চালানো হবে। ঠিক যেমনটা ভাঙ্গা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি। জানা যায়, ২০২১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুজিবের মাজারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছিলেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সেই মাজারকে ঘিরেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। খবর রয়েছে, এনসিপি দক্ষিণ অঞ্চলের পথসভা উপলক্ষ্যে তারা গোপালগঞ্জের পাটগাতি হয়ে ঢুকবে। এমনকি এও জানা গিয়েছে, এর নেতৃত্ব দেবে জামাতের নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর পুত্র তারেক সাঈদ । গোপালগঞ্জে তাদের সংগঠন তেমন ভালো না থাকায় বাইরে থেকে লোক নিয়ে আসবে। তারপরই হামলা চালানো হবে বলে খবর।
যদিও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানাতে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে। এখন কি সরকার নাকি গোপালগঞ্জ জেলাকে জনশূন্য করার উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তবে সেটা আদতে বাস্তবিকভাবে দেখা যায় কিনা, সেটাই দেখার। কারণ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি ভাঙ্গাতে রোধ করতে পারেনি। এক্ষেত্রে তার উদ্যোগ নেওয়া হবে কিনা সময় বলবে। যদিও শেখ হাসিনার ক্যাডার প্রস্তুত রয়েছে বলে খবর।












Discussion about this post