বাংলাদেশের সঙ্গে আঁতাত করছে তুরস্ক। ভারত পাকিস্তানের সংঘর্ষের সময় দেখা গিয়েছিল, তুরস্ক পাকিস্তানকে শুধু সমর্থন করছে তাই নয়, কার্যত অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছে। এবার দেখা গেল বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তাই। মনে করা হচ্ছে, ভারতের চারপাশে তৈরি হচ্ছে ইসলামিক শক্তি বলয়। কারণ এই বছর জুন মাসে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভলপমেন্ট অথরিটি চেয়ারম্যান চৌধুরী আসিফ মাহমুদ বিন হারুল তুরস্ক সফরে গিয়েছিলেন। সেই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল, বাংলাদেশে তুরস্কের একটি পূর্ণাঙ্গ অস্ত্র তৈরির কারখানাকে স্থাপন করা। তারপরেই এই মাসে অর্থাৎ জুলাইয়ে তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সি এসএসবির চেয়ারম্যান হালুক গুরশুনের নেতৃত্বে একটি ডেলিগেশন টিম ঢাকায় এসেছে। জানা যাচ্ছে, ৮ই জুলাই থেকে শুরু হয়েছে এমন একটি প্রতিরক্ষা বৈঠক। যেখানে দেখা যাচ্ছে, তুরস্ক সরাসরি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, তুরস্ক নাকি বাংলাদেশে তৈরি করতে চলেছে অস্ত্র তৈরির কারখানা। তবে কি কোনও রকম ছক কষার চেষ্টা করছেন মহম্মদ ইউনূস? যেটা ভারতের জন্য হুমকি হতে পারে?
এদিকে জানা যাচ্ছে, জামাতের এক শীর্ষ নেতা মজমুদ সাদিক কাইয়াম তুরস্ক সফরে গিয়েছিলেন। তিনি তুরস্ক থেকে ফিরে আসার পর জামাতের একটি অফিসকে তুরস্ক আর্থিক সাহায্য দিয়ে সংস্কার করেছে। সেটা নাকি তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার হেডকোয়ার্টার। এমনকি তুরস্ক বাংলাদেশে অস্ত্র কারখানা তৈরি করছে। সেখানে নাকি জামাতের নেতারা প্রবেশও করতে পারবেন বলে খবর। সেখান থেকেই নাকি অস্ত্র প্রশিক্ষণ, লজিস্টিক সাপোর্ট এবং ইসলামী দীক্ষা পাওয়া যাবে বলে খবর।অর্থাৎ বাংলাদেশের বুকে আরও একটি পাকিস্তান তৈরি হতে যাচ্ছে। এমনকি এর মধ্যে দিয়ে তুরস্ক ভারতের বিরুদ্ধে একরম যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেখানে সেনা থাকবে বাংলাদেশের, কিন্তু চালনা করবে তুরস্ক।
তুরস্ক এই মুহূর্তে মুসলিম রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে আঁতাত করতে চাইছে নিজেদের স্বার্থে। এবং সেই কারণে বিশ্ব দরবারে হয়ে চলা ইসলামিক সমস্যা গুলিকে তুরস্ক সাপোর্ট করছে। এমনকি পাকিস্তানের পাশে তারা সবসময় দাঁড়ায়। কারণ পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। এবার দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের কট্টর রাজনৈতিক ইসলামিক দল জামায়াতি ইসলামকে পুরোদমে সমর্থন করছে। এদিকে জামাতে ইসলামী মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘনিষ্ঠ। জানা যাচ্ছে, তুরস্কের যে সমস্ত প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসেছে, তারা নাকি বৈঠক করেছেন বাংলাদেশী সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের সঙ্গেও। এমনকি বাকি দুটি বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গেও। এমনকি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা যাচ্ছে। তুরস্কের থেকে টাকা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামে অস্ত্রভাণ্ডার তৈরি করবে বাংলাদেশ। আর এটা তৈরি হলে দক্ষিণ এশিয়ার তুরস্কের একটি সামরিক হাব তৈরি হবে। এর জেরে ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলি হুমকির মধ্যে পড়তে পারে বলে খবর। তবে ভারতও হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। এখন দেখার, এর পর ভারত কি একশন নেয়।












Discussion about this post