বাংলাদেশ বায়ুসেনা F7-এর বিমান ভেঙে পড়ল উত্তরার মাইলস্টোন কলেজের উপর। জানা যায়, সোমবার দুপুর দেড়টা নাগাদ কলেজ ভবনের উপর বিমানটি ভেঙে পড়ে। ওড়ার ১২ মিনিটের মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে বলে জানা যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এখনও পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর এই দুর্ঘটনা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। এমনকি চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে এসেছে। সেখানে জানা যাচ্ছে, ওই বিমানটি চীনের তৈরি। এদিকে বিমান দুর্ঘটনার দায় বাংলাদেশের সেনাপ্রধান এড়িয়ে যেতে পারেন না। অনেকে নানা প্রশ্ন তুলছে। তবে কি এর মধ্যে কোনও ষড়যন্ত্র হয়েছে?
জানা যাচ্ছে, এই বিমানটি চীনের তৈরি। ১৯৬০ সালের তৈরি আপগ্রেডেড ভার্সন এই বিমানটি এখনও পর্যন্ত নাইজেরিয়া, উত্তর কোরিয়ার মত কয়েকটি দেশ ব্যবহার করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য এই বিমান ব্যবহার করা হত।
এর আগে অপারেশন সিঁদুরের সময় দেখা গিয়েছে, একাধিক চীনা অস্ত্র পাকিস্তান ব্যবহার করতে, ভারত সেগুলিকে ভূপাতিত করেছে। ফলে চীনের অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বা অক্ষমতা গোটা বিশ্বের দরবারে খুলে যায়। ফের দেখা গেল, চীনের তৈরি বিমান বাংলাদেশে ভূপাতিত হল। অন্যদিকে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি গোপালগঞ্জে নিরীহ মানুষদের উপর সেনাবাহিনীর গুলি চালানো নিয়ে নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। শুধু তাই নয়, গোটা দেশ যে বিপথে চালিত হচ্ছে, সেটাও পরিষ্কার হচ্ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কেন তিনি বিমান রক্ষণাবেক্ষণ সংস্থাগুলির দিকে নজর দিচ্ছেন না? এমনকি F7 এর মত একটি বিমান ব্যবহার করা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। যখন ভারত পাকিস্তানের সংঘর্ষ তৈরি হয়, তখন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, আমরা প্রস্তুত আছি। প্রয়োজনে যুদ্ধ করতে হবে। তারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার স্বপ্ন দেখে, অথচ তাদের কাছে ১৯৬০ সালের তৈরি বিমান রয়েছে। আসলে তারা ভারত বিরোধীতা করতে গিয়ে, পাকিস্তানের বলে বলীয়ান হয়ে ঝাপাতে চাইছে। বিভিন্ন সময় ভারতের উত্তর পূর্বের দিকে নজর দিতে চাইছে তারা।
কিছুদিন আগে যখন ভারতের আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনা হল, তখন বাংলাদেশের সরকারের তরফে বলা হয়েছিল, তারা নাকি রক্ষণাবেক্ষণের দিকে নজর দেবেন। কিন্তু কোথায় কি? শুধু তাই নয়, সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে বাংলাদেশের বহু মানুষ উল্লাস করছিলেন এই ঘটনায়। এমনকি কাশ্মীরে সন্ত্রাস আক্রমণ হল, তখনও একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। আসলে বাংলাদেশ রয়েছে ইউনূসের বাংলাদেশেই। তবে আঙুল যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেনাপ্রধান বা সেনাবাহিনীর দিকে ওঠে, তখন তার দায় তো নিতেই হবে। বলছে ওয়াকিবহাল মহল।












Discussion about this post