বীরভূমে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার শাসকদল।বোলপুরে শান্তির বার্তা মাননীয়া।ফের ক্ষমতা বাড়লো কেষ্ট মন্ডলের।
গরুপাচার ও আর্থিক তছরুপের মামলায় জামিন পেয়ে বীরভূমে ফিরলেও জেলা সভাপতি পদ ধরে রাখতে পারেনি অনুব্রত মণ্ডল। পুলিশ আধিকারীকরে কু-কথা বলার জন্য দলের নির্দেশে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হয়েছে কেষ্টকে। সেই অনুব্রত এবার বীরভূমে তৃণমূল দলে গুরুত্ব বৃদ্ধি হতে চলেছে? তৃণমূল শিবিরের কিছু ঘটনা তেমনই পূর্বাভাস দিচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলা ভাষাভাষীদের উপর হেনস্তার অভিযোগ তুলছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি একুশে জুলাই শহীদ মঞ্চ থেকেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে খুব উপড়ে দেন তৃণমূল সুপ্রিম। সেই মঞ্চ থেকেই নতুন করে ভাষা আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিম ও তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শহীদ মঞ্চ থেকে ঘোষণা অনুযায়ী বীরভূম জেলায় প্রথম বাংলাভাষীদের ওপর আক্রমণের প্রতিবাদে পথে নামলেন। এরপরই বীরভূমের কোর কমিটির নয় সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন তৃণমূল সুপ্রিম। প্রায় 30 মিনিটের বৈঠককে কোড় কমিটির নয় সদস্য ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামও।
সূত্রে খবর, বৈঠককে আলোচনা হয় মূলত দুটি বিষয় নিয়ে, একটি হল অনুব্রত মণ্ডলকে বীরভূমের কোর কমিটির আহ্বায়ক করা যায় কি না, দ্বিতীয়টি হল একজন আদিবাসী প্রতিনিধিকে কোর কমিটিতে যুক্ত করা।
প্রসঙ্গত, জামিন পাওয়া অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমে ফেরার পর তাঁকে দলের জেলা সভাপতি পদ দেয় নি তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে, বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের সঙ্গে অনুব্রতর দ্বন্দ্ব সর্বজনবিদিত। এই দ্বন্দ্ব শুধু বীরভূম জেলায় সীমাবদ্ধ নেই এখন রাজ্যেও সবাই জানেন। তৃণমূল নেতৃত্ব বীরভূমের সাংগঠনিক হাল ধরতে গঠন করে দেয় কোর কমিটি। সেই কমিটিতে নয় জন সদস্য রয়েছে তার মধ্যে একজন অনুব্রত মণ্ডল।
কয়েকমাস পরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, এখন দেখার তার আগে অনুব্রত মণ্ডল কি বীরভূমের কোর কমিটির আহ্বায়ক হবেন? ২০২৬শের ভোটে কি কেষ্টকে আবার স্বমহিমায় দেখা যাবে?












Discussion about this post