দেশের টালমাটাল পরিস্থিতি। বিক্ষোভ, আন্দোলন, বিরোধিতা.. এ যেন আরও একটা অভ্যুত্থানের পথে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি শিথিল হলেও ভিতরে ভিতরে অগ্নিগর্ভ। যে কোনও মুহূর্তে হাসিনার মত পরিণতি হতে পারে মহম্মদ ইউনূসের। শেখ হাসিনা সহ তার পারিষদ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু ইউনূস পারিষদ কোথায় আশ্রয় পাবে? প্রশ্ন তো উঠেই যায়। অনেকে বলছেন, পাকিস্তান ছাড়া আর কোনও গতি নেই ইউনূসের। অনেকে বলছেন, শেখ হাসিনা ভারতে বসে আওয়ামী লীগকে সংঘঠিত করছে। আর ইউনুস পালানোর পথ খুঁজছেন। আসলে বাংলাদেশে বড় খেলা সামনে আসতে চলেছে।
গত বছর ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হলে মনে করা হয়েছিল, দেশ আয়ত্তে আসবে। কিন্তু পরিস্থিতি উল্টে গিয়েছে। দেশ আরও ভয়ানক জায়গাতে পৌঁছেছে। তিনি বাংলাদেশের বুকে একটা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তার উপদেষ্টা এবং ছাত্রনেতাদের সঙ্গে নিয়ে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, তাদের নগ্ন রূপ বেরিয়ে আসছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫ জন চাঁদাবাজ গ্রেফতার হয়েছেন। এমনকি এর জেরে সারা দেশের কমিটি বাতিল করা হয়েছে। অনেকে বলছেন, যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে এনসিপির ও সারা দেশের বিভিন্ন কমিটি বাতিল করা হয়েছে। কারণ গোপালগঞ্জ থেকে কক্সবাজার এবং নেত্রকোনায় তারা যেভাবে প্রতিরোধের মুখে পড়ছে তাতে, এমন জল্পনা ছড়াচ্ছে।
এদিকে অনেকে বলছেন, বাংলাদেশের এই ছাত্রনেতাদের পাকিস্তানি যাওয়ার জন্য বিমান তৈরি রাখতে হবে। আওয়ামী লীগের তো যাওয়ার জায়গা ছিল। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করা। কিন্তু ছাত্র নেতারা পাকিস্তানে যেতে হলেও ভারতের আকাশ সীমা ব্যবহার করতে হবে। ফলে তারা এখন কোথায় যাবেন, সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন।
এদিকে সেনাপ্রধান ব্যর্থ হয়েছেন দেশের দায়িত্ব পালনে। এর পাশাপাশি তিনি গোপালগঞ্জের ঘটনায় বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি সব পক্ষকে সমঝে চলছেন। আসলে তিনি কৌশলই পথ অবলম্বন করেছেন। অন্যদিকে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেতে কর্মকাণ্ড করেছে, সেগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সাংবিধানিক বিরোধী। ফলে এই সরকারের পতন নিশ্চিত। এমনকি তাদের পালিয়ে যাওয়ার পথ থাকবে না বলেই বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার, শেষমেষ কি পরিণতি হয় মহম্মদ ইউনূস এবং তার উপদেষ্টা ও ছাত্রনেতাদের।












Discussion about this post