আজ কৌশিকী অমাবস্যা। তারাপীঠ সহ বিভিন্ন কালী মন্দিরে মায়ের পূজার্চনার জন্য নেমেছে পূর্ণার্থীদের ঢল।কৌশিকী অমাবস্যা মানে হলো ভাদ্র মাসের অমাবস্যা তিথি, যা তন্ত্র ও জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই তিথিতে দেবী কৌশিকীর পূজা করা হয় এবং এটি তারাপীঠের মতো গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানে বিশেষ আরাধনার জন্য বিখ্যাত।
এবং এই “কৌশিকী অমাবস্যার” পেছনে যে ঘটনা জড়িত আছে তা হলো ,১২৭৪ বঙ্গাব্দে কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠ মহাশ্মশানে শ্বেতশিমূল বৃক্ষের তলায় সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সাধক বামাক্ষেপা।
তারাপীঠের মন্দিরে এই দিন বিশেষ পূজা ও আরাধনার আয়োজন করা হয়।কৌশিকী অমাবস্যায় পূজিত হন দেবী কৌশিকী, যিনি মা কালীর আর একটি রূপ এবং মহিষাসুরমর্দিনী নামেও পরিচিত।
কথিত আছে এই তিথিতেই সাধক বামাক্ষ্যাপা তপস্যা করেছিলেন তারাপীঠ মহাশ্মশানের শ্বেত শিমূল গাছের নিচে বসে।এরপর মা তারা দেখা দিয়েছিলেন বামদেবকে ,নিরাশ করেননি তাঁর ভক্তকে। এই সময় ভক্তরা মায়ের বিশেষ রাজবেশে পূজার্চনা করেন। অনেকেই মনে করেন যে, এই তিথিতে স্বর্গ ও নরকের দরজা কিছু সময়ের জন্য উন্মুক্ত হয়, এবং এই সময়ে সাধকরা বিশেষ মন্ত্র ও আরাধনার মাধ্যমে শক্তি লাভ করতে পারেন।আবার কেউ মনে করেন যে, এই সময় পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় পূজা করা হয়।
তাড়াপীঠের এই ভিড় সামলাতে এবং সেই সঙ্গে ভক্তদের নিরাপত্তার জন্য পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী পাশাপাশি জানা যাচ্ছে নিরাপত্তায় নিযুক্ত থাকবেন পুলিশের ৫০০ আধিকারিক-সহ ১৫০০ জন পুলিশকর্মী, এবং ২০০০ সিভিক কর্মী। মায়ের আরতি এবং পুজো দেখানোর সুবিধার জন্য বসানো হয়েছে বেশ কয়েকটি বৃহতাকারের স্কিন। সুন্দর করে সুসজ্জিত করে তোলা হয়েছে মন্দির চত্বর।নিরাপত্তার সুবিধাকে মাথায় রেখে মন্দিরে চত্বরে লাগানো হয়ে সিসিটিভি। তারাপীঠের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগমে ভরে উঠেছে তারাপীঠ চত্বর।












Discussion about this post