আন্তজার্তিক ক্ষেত্রে একটি তারিখ বিভিন্ন সময় আলোচনার মাধ্যমে উঠে এসেছে। সেটা হল ৩১ অগাস্ট। ৩১ অগাষ্ট নাকি লাস্ট ডেট। সেপ্টেম্বরে নাকি পাকিস্তান কুপোকাত হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশেও শুরু হবে। এমনই একটি ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের তরফে। দীর্ঘকালীন যুদ্ধের প্রস্তুতি রাখার কথা বলেন তিনি। তার বার্তা, বর্তমান ভূ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের সেনাকে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। সেটা স্বল্প মেয়াদের হোক বা টানা ৫ বছর ধরে চলা যুদ্ধ। বুধবার মধ্যপ্রদেশের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এমনই বার্তা দেন তিনি।
এমনকি তিনি বলেন, ভারত কখনও কারও জমি দখল করতে চায় না। কিন্তু কেউ যদি আমাদের আক্রমণ করে, তবে কেউ ছেড়ে কথা বলবে না। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে নিজেদের রক্ষা করতে প্রস্তুত। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, বায়ুসেনা প্রধান এপি সিং ও নৌসেনার প্রধান দিনেশ ত্রিপাঠী। তাদের প্রত্যেকের উপস্থিতিতে অপারেশন সিঁদুরের প্রশংসা করেন রাজনাথ। তিনি বলেন, এই অপারেশন সিঁদুর অভিযান ভারতের দেশিয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, প্রযুক্তি হল এক উজ্জ্বল উদাহরণ। অপারেশন সিঁদুর দেখিয়ে দিয়েছে আত্মনির্ভরতা এখন শুধু একটি লক্ষ্য নয়, বরং ভবিষ্যতের অপরিহার্যতা। ভারত আত্মনির্ভরতার পথে অনেকটা এগিয়েছে, এখনও অনেক পথ হাঁটা বাকি।
এদিকে আর একটি খবর সামনে এসেছে। যেখানে বলা হচ্ছে, সীমান্তে শত্রুকে ধ্বংস করতে প্রস্তুত ভারত। দেশের প্রতিরক্ষায় ভৈরব কমান্ডো বাহিনীকে কাজে লাগাতে তৎপর রয়েছে ভারতীয় সেনা। একদিকে পাকিস্তান, এবং অন্যদিকে রয়েছে চীন। যুদ্ধক্ষেত্রে এই দুই শত্রুপক্ষকে টক্কর দিতে ও বিশেষ নজরে রাখতে পাঁচটি বিশেষ প্রশিক্ষণে পারদর্শী ব্যাটালিয়ন গড়েছে ভারতের সেনা। সূত্রে খবর, এখন আপাতত পাঁচটি ভৈরব কমান্ডো ব্যাটালিয়ন তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটিকে চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের অধীনে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি দুই ভৈরব কমান্ডো ব্যাটালিয়নের একটিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং অন্য ব্যাটালিয়নকে পাকিস্তান সীমান্তে পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের মোতায়েন করা হবে। উত্তর পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ সেভেন সিস্টার্স-এর ক্ষেত্রে তৎপর রয়েছে ভারতীয় সেনা। বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।
তার উপর প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলে দিয়েছেন, ভারতের দিকে কেউ কোনও আক্রমণ করলে ছেড়ে কথা বলবে না ভারত। কারণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর থেকে বারেবারে হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ। কখনও সেভেন সিস্টার্সকে দখল করার হুমকি আবার কখনও দেখা গিয়েছে কলকাতা দখলের হুমকি। তার মধ্যে পাকিস্তানের উপ প্রধানমন্ত্রী ইশাকদার বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। ফলে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান মিলে কিছু একটা ঘটাতে চলেছে, সেটা স্পষ্ট। তাই ভারতও বিভিন্ন সময় ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভারত চুপ করে বসে থাকবে না। এমনিতেই অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে ভারত দেখিয়েছে দিয়েছে পাকিস্তানকে। যেখানে পাকিস্তানের কোমর প্রায় ভেঙে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। ফের আক্রমণ করলে গোটা পাকিস্তান সংকটে চলে যাবে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। যেকোনও মুহূর্তে যা কিছু একশন নিতে পারে ভারত। আর সেটা হতে পারে সেপ্টেম্বরে বা পরে কিংবা দীর্ঘ মেয়াদের। যা ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।












Discussion about this post