মার্কিন প্রশাসনের একটি ভয়াবহ গোয়েন্দা রিপোর্ট সামনে এসেছে। যেটা হাতে পেয়েছে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কড়া চিঠি পেলেন মহম্মুদ ইউনূস। সেই প্রতিবেদনে জঙ্গিদের কথা বলা হয়েছে। জঙ্গিরা নাকি মার্কিন দূতাবাসে হামলা করতে পারে। এমন আশঙ্কা করা হয়েছে। এমনকি আশঙ্কা থেকে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উদ্যোগী হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আসলে মার্কিন কূটনীতিবিদরা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে কি বিষয়ে তথ্য দিল? কারা হামলা চালানোর ছক কষছে? তাদের উদ্দেশ্যটাই বা কি? এমন নানা প্রশ্ন দানা বাঁধতে শুরু করেছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে এসেছে একটি মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন। জঙ্গিরা মার্কিন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনা করেছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জঙ্গিদের আটক করেছে বলে খবর। উল্লেখযোগ্যভাবে, গত বছর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার বহু জঙ্গিদের ছেড়ে দিয়েছে। তারা বাইরে বেরিয়ে যে গোটা দেশ অস্থিতিশীল করতে পারে, সেটা আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল। এবার মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট সামনে এল, যেখানে সরকারকে সাবধান করা হল। গোয়েন্দারা যে চুপ করে বসে নেই, সেটাও বলা হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের তরফে। তারা বৃহৎ আকারে ষড়যন্ত্র করছে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে, মাকির্ন গোয়েন্দাদের হাতে তথ্য প্রমাণ আসা অনুসারে এই জঙ্গি নেতাদের কয়েকজন জেলের বাইরে বেরিয়ে নতুন নতুন উগ্রপন্থের সংগঠন গড়ে তুলছে। তেমনি একটি সংগঠন বাংলাদেশের বাড়ি ভাড়ায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে প্রাণঘাতী হামলা করে প্রত্যেকের দৃষ্টি আকর্ষণের পরিকল্পনা করেছে। জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এমনকি কোস্টগার্ড বাহিনীর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের বিশেষবাহিনী তল্লাশি চালিয়ে দুজন জঙ্গি নেতাকে গ্রেফতার করেছে বলে খবর। সূত্রের খবর, ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেসি এন্ড জেকাবসন জুলাইয়ে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছিলেন। পাশাপাশি দেশের অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে জঙ্গিরা হামলা করতে পারে, এমন আশঙ্কার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন। এরমধ্যে খবর পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন তেহরিক ই তালিবানের মতাদর্শ মেনে অন্তত দুটি জঙ্গি গোষ্ঠী মাথাচারা দিচ্ছে বাংলাদেশে।
এর আগেও বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসকে লক্ষ্য করে অভিযান, আক্রমণের ঘটনা দেখা গিয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে জাতীয় বাংলাদেশ পুলিশের জঙ্গি দমন শাখা নতুন সংগঠনের মাথা হিসাবে অন্তত পাঁচজন জঙ্গি নেতাকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। যারা পাকিস্তানি তেহরিক ই তালিবানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। ভয়াবহ এমন তথ্যগুলি বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এবার উঠে এসেছে, মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা। যদিও মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী তৎপরতা শুরু করেছে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকার। কিছু জঙ্গিনেতাকে ইতিমধ্যেই আটক করেছে বাংলাদেশের প্রশাসন। ফলে এখন দেখার, এর পরবর্তী পরিস্থিতি কি তৈরি হয়!












Discussion about this post