বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে চলছে ত্রাণ বিলি। এরই মধ্যে ধরা পড়লো এক ছবি। পরনে কালো টিশার্ট, তাতে লেখা অভিষেক সেনা। রয়েছেন ওয়েবকুপার সদস্যরাও। নেতৃত্বে ওয়েবকুপার তৎকালীন নেতা মণিশঙ্কর মণ্ডল। উত্তরবঙ্গের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তারা। করছেন ত্রাণ বিলিও। আর যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, যেখানে বর্তমানে ওয়েবকুপার কোনো অস্তিত্বই নেই। সেখানে কীভাবে তার সদস্যরা ত্রাণ বিলি করছেন। এই ছবি সামনে আসার পরই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। তার কারণ হল, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে ওয়েবকুপার সভাপতি করা হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে। এরপর ওয়েবকুপায় গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের কথা সামনে আসে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সাথে প্রাক্তন ওয়েবকুপার নেতৃত্বের সংঘাতের ফলে সম্প্রতি ওয়েবকুপার সংগঠনটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত ওয়েবকুপার প্রাক্তন সহ সভাপতি মণিশঙ্কর মণ্ডলকে ওয়েবকুপা থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। সেই সময় মণিশঙ্করকে বলতে শোনা গেছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গেম চেঞ্জর বলে আখ্যায়িত করে সারা কলকাতায় ব্যানার লাগিয়েছিলাম। সেই নিয়ে ব্রাত্য বসু আমাকে ফোন করে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপরই দেখা যায় ওয়েবকুপা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মণিশঙ্করকে। দল পরে সংগঠনটাই ভেঙে দেয়। তারপরই সংগঠন ভাঙা নিয়ে ব্রাত্য বসু বলেছিলেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। এরপরই দেখা গেছিল বিতর্ক।
বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গে ত্রাণ বিলির তৎকালীন ওয়েবকুপার নেতা মণিশঙ্কর মন্ডলের একটি ফেসবুক লাইভ সামনে এসেছে। তাতে মণিশঙ্করকে বলতে শোনা যাচ্ছে, আমরা আপনাদের কাছে এসেছি। পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত কলেজ ও সংগঠন রয়েছে, ওয়েবকুপার তরফে। মাননীয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক আমরা। তার নির্দেশেই আমরা এসেছি।
ঠিক এইখানেই জোরালো হয়েছে বিতর্ক। কারণ যেখানে ওয়েবকুপা সংগঠনটাই নেই তার নাম নিয়ে কীভাবে ত্রাণ বিলি করছেন অভিষেক সেনারা। এনিয়ে মণিশঙ্করদের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।












Discussion about this post