বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কি কারণে দেশে নিজে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না তারেক রাহেমানকে দেশে ফিরতে নিরাপত্তার ঝুঁকিই কি বাধা দিচ্ছে বাংলাদেশের সেনার অনুমতি ছাড়া কি দেশে ফিরতে পারবেন না খালেদা পুত্র তারেক তার মা তথা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। এ অবস্থায় তারেক দেশে ফেরার জন্য ব্যাকুল হলেও কেন ফিরতে পারছেন না দেশে তারেকের ভাইকে বাংলাদেশ সেনা জামিনে মুক্তি দিলেও হাওয়া ভবনের অভিযোগে থাকা তারেককে কোনোভাবেই ছাড় দেয়নি সেনা। খালেদা পুত্র তারেককে বিচারের মুখে দাঁড় করিয়ে দোষী সাবস্ত করে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে তাকে একেবারে সরিয়ে দেওয়াই ছিল মহিউদ্দিন ফকিরুদ্দীন সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য।
২০০৭ সালে সেনার সমর্থনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশে। এই সরকারই তারেক রাহেমানকে গ্রেফতার করে। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তারেককে যুগ্ম মহাসচিবের পদ দেন। সে সময় অভিযোগ ছিল, তারেক রাহেমান হাওয়া ভবন থেকে বিকল্প সরকার পরিচালনা করছিল। দেশে কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তি যে আইনের ঊর্ধ্বে নয় তা প্রমান করার জন্য তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার উঠে পরে লাগে। বিভিন্ন সময় অদ্ভুত ভাবে আদালতে হাজিরা দিতেন তারেক। কখনও হুইল চেয়ার এ তো কখনও হেলমেট পরে হাজিরা দিতেন খালেদা পুত্র। হেফাজতে তারেকের ওপর করা হতো নির্মম অত্যাচার। তারেককে রিমান্ডে নিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টা সেনা তার হাত – পা বেঁধে রাখতো। এমনকি দড়িতে বেঁধে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল তাকে। নির্যাতনে তর্কের মেরুদণ্ডের হার ভেঙে যায়। এ অবস্থায় তারেককে প্রাণে বাঁচাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাথে দরকষাকষি করেন খালেদা জিয়া। তারেক বাংলাদেশের রাজীনীতি থেকে সারা জীবনের মতো সরে যাবে এই শর্তে মুক্তি পান তারেক। এরপরই বাংলাদেশ ত্যাগ করেন তারেক।
অন্যদিকে, ৬ ই অগাস্ট রাষ্ট্রপতির কথা অনুযায়ী মুক্তি দেওয়া হয় বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। সমস্ত মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দিলেও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে। এমনকি মুখ বন্ধ করে রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। তাহলে কি কোনও হুমকির শিকার হয়েছিলেন তিনি শোনা যায়, হাসিনার কারণে জিয়া চিকিৎসা করাতে লন্ডনে যেতে পারতেন না। অথচ সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান নিজে জিয়ার সাথে তার বাসভবনে দেখা করতে যান। সেখানে ৪০ মিনিট কথা হয় তাদের দুজনের। এরপরই বিএনপির তরফে জানানো হয়, খালেদা জিয়া লন্ডনে যাবেন তার চিকিৎসা করাতে। মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় খালেদা পুত্র তারেক রহমান তার সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিকদের কাছে তার মায়ের জন্য দোয়া করতে বলেছিলেন। সাথে তিনি এও বলেছিলেন, যে তিনি তার মায়ের কাছে আসার জন্য ব্যাকুল হলেও দেশে ফেরার বিষয়টা তার হাতে নেই।
এ বিষয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার মহম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব সফিকুল আলাম জানান, ইউনুস সরকারের তরফ থেকে তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে কোনও বাধা নেই। তাহলে তারেকের দেশে ফেরা নিয়ে বাধাটা আসলে কোথায় যা নিয়ে জল্পনা আরও গভীর হচ্ছে।












Discussion about this post