রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের ভারত সফর থেকেই উত্তেজনার ছিল তুঙ্গে। ভারতের এই সফর ভারত ও রাশিয়ার সম্পর্ক আরো এক কদম এগিয়ে গেল। বন্ধুত্বের এই বন্ধন কতটা আঘাত আনবে শত্রু দেশ পাকিস্তান বাংলাদেশের? এখন এটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। তাহলে আমাদের প্রিয় দর্শকদের জন্য জানিয়ে রাখি-রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের ভারত সফরের আগেই চুক্তি হয়েছিল ভারত ও রাশিয়ার। দুই দেশের নয়া সামরিক চুক্তিতে অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে রাশিয়ার সংসদের নিম্নকক্ষ, স্টেট দুমা। রেসিপ্রোকাল এক্সচেঞ্জ অফ লজিস্টিক সাপোর্ট নামে এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সেনাবাহিনী, যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক বিমান পারস্পরিক ব্যবহার ও লজিস্টিক সহায়তা দেবে। অর্থাৎ ভারত এই মুহূর্তে যদি বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামে পুরোপুরি সমর্থন থাকবে রাশিয়ার শুধু তাই নয় বিভিন্ন রকম অত্যাধুনিক যুদ্ধের অস্ত্র রাশিয়া ভারতের হাতে তুলে দেবে।জানা যাচ্ছে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে সাক্ষরিত হয় এই চুক্তি। এরপর গত সপ্তাহে রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন এটি অনুমোদনের জন্য স্টেট দুমায় পাঠান। মঙ্গলবার এই চুক্তিতে অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে স্টেট দুমা। ভয়ংকর এই চুক্তি প্রসঙ্গে দুমার স্পিকার ভিয়াচেস্লাভ ভোলোদিন বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের গভীর কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। আমরা এই সম্পর্কের মূল্য দিই। আজকের অনুমোদন দু’দেশের পারস্পরিক কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।
নতুন এই চুক্তি অনুযায়ী, ভারত ও রাশিয়ার দক্ষ সেনাবাহিনী তাদের প্রয়োজনে পরস্পর দেশ তাদের যুদ্ধে নিযুক্ত সেনাঘাঁটি থেকে শুরু করে অস্ত্র সমস্তটাই ব্যবহার করতে পারবে। এতেই মাথা ঘুরেছে বাংলাদেশের চক্রান্তকারী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের অন্যদিকে বাংলাদেশ বর্তমানে তাদের যাকে বাবা বলে ভাবে অর্থাৎ পাকিস্তান সেও জড়িয়ে রয়েছে নিজের দেশের অস্তিত্ব রক্ষা করার লড়াইএ। এমতাবস্থায় বোঝাই যাচ্ছে ভারত রাশিয়ার এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে মাথায় হাত জঙ্গি সন্ত্রাসীতে আস্তা রাখা পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের।অর্থাৎ এখন থেকে অবাধে রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ ভারতের বন্দরে ভিড়তে পারবে। সেনাবাহিনী ও বায়ুসেনার জন্যও প্রযোজ্য হবে একই নিয়ম। এই চুক্তির মাধ্যমে যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মানবিক সাহায্যেও একে অপরের পাশে দাঁড়াবে। বিপদে দুই দেশই একে অপরের পাশে দাঁড়াবে। ভারত বাংলাদেশের যখন হাসিনাকে নিয়ে এত টানাপড়েন তারমধ্যে উত্তপ্ত সীমান্ত রক্ষার্থে ভারতীয় সেনাবাহিনী যখন ক্ষমতা দেখাচ্ছে সেই সময় এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ভারতের পক্ষে এক পজেটিভ সাইন বলেই মতরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। আপেক্ষিক দৃষ্টিতে এই চুক্তি সামরিক দিক থেকে লজিস্টিক সাপোর্ট হলেও বাস্তবে আসলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো। ঠিক যেভাবে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল রাশিয়া। সেই সময় প্রবল ক্ষমতা সম্পন্ন শক্তিশালী মার্কিন নৌবহরকে আটকে দিয়েছিল রাশিয়া। ভারতের উপর হামলা করতে দেয়নি আজ সেই বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট রাখলো রাশিয়া। যার জেরে পাক সেনাকে দুরমুশ করে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ। কিন্তু আজ সেই ইতিহাস ভুলে ইউনূসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ বাংলাদেশ। ইউনূস কি তবে পুরনো ইতিহাস ভুলে গেলেন নাকি জানেনই না? সেই বন্ধু ভারতকে শত্রু ভেবে প্রকৃত শত্রু পাকিস্তানের সাথে গলায় গলায় বন্ধুত্ব করতে বদ্ধপরিকর ইউনূস। ভাগ্যের চাকা সব সময়ই পরিবর্তন হয় সেই ৭১ এ যে ভারত পাকিস্তানের সাথে লড়াই করে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল আজ সেই ভারতেই এবার বাংলাদেশের সাথে সরাসরি যুদ্ধে যাচ্ছে আর পটভূমিতে থেকে যাওয়া সেই বন্ধু রাশিয়ায় এবারও ভারতকে সমস্ত রকম যুদ্ধের সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করছে।
সর্বশেষ না বললেই নয়- ইউনূস সাহেব এবার তুমি হাড়ে হাড়ে টের পাবে ভারতের পিছনে লাগলে ভারত কি জিনিস।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more












Discussion about this post