ইউনূস জানেন তিনি দেশকে কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। হিন্দু এবং সংখ্যালঘুদের যে দ্রুত হারে ধ্বংস করা হচ্ছে, তাই নয়। পূর্বপাকিস্তান বানানোর লক্ষ্যে যারাই বাঁধা হতে পারে তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। আর পিছনে তাদের সব চেয়ে বড় সার্পোটার হল আমেরিকা। এই মহুর্তে বাংলাদেশে একদিনে যদি কয়েক লক্ষ মানুষকে হত্যাও করা হয়, আমেরিকার কোন মানবিধার সংগঠন তাই নিয়ে কোন উচ্চ বাচ্য করবে না। আমেরিকার চায় সেন্টমার্টিন তার জন্য তারা জামাতের মত উগ্রবাদী দল কেন, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান থেকে আসা জঙ্গীদেরও সমর্থন করবে। কারণ তাদের লক্ষ্য হল বাংলাদেশ থেকে শুধু চিন নয়, ভারতের উড়িষ্যাতে নজরদারি করা, যেখান থেকে মিশাইল খেপনাস্ত্র উৎক্ষেপন করা হয়। সেই সঙ্গে রাশিয়াকেও নজরদারির আওতায় রাখা যাবে। আর এই সত্যটি ভালো করে বুঝে গেছে ইউনূস। ফলে যে কোন সময়ের থেকে দ্রুত হারে হিন্দু এবং আওয়ামীলীগের সমর্থকদের বন্দি করে জেলের মধ্যেই মেরে ফেলা হচ্ছে।অবৈধ ডঃ ইউনুসের আমলে দেড় বছরে ১২৭ জন আওয়ামীলিগ নেতা কর্মী কেবল জেল খানায় মারা গেছে।।পুলিশের গ্রেফতার এবং তার পর থানা হেফাজতে মারা গেছে আরো অনেক। এগুলো কে সাভাবিক মৃত্যু বলা যায়না। সবগুলোই পরিকল্পিত হত্যাকান্ড
আওয়ামীলিগ নেতা কর্মীদের হত্যার একটি নীল নকশা বাস্তবায়ন করতেছে অবৈধ ইউনুসের জামাতী সরকার। কোনো অপরাধ না করেও লাখের উপরে নেতা কর্মী কারাবাস ভোগ করছে। অভিযোগ না পেলেও কোনো জামিন হচ্ছেনা।
জেলে খাবারের সাথে মেডিসিন এর মাধ্যমে পয়জনিং করা হচ্ছে এর ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই দেখা দিচ্ছে নানা রকম অসুস্থতা। অসুস্থ হলে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছেনা। মৃত্যু নিশ্চিত হলেই চিকিৎসার নামে হাসপাতালে নেয়া হয়,এবং বলা হয় চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা গেছে। এভাবেই চালিয়ে যাচ্ছে আওয়ামীলিগ নেতা কর্মীদের হত্যা মিশন। বর্তমানে দেশবাসী তথা সারা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে একটি ঘটনা, যেটে হিন্দু যুবকদের বিভিন্ন জায়গায় জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার মতই ভয়ঙ্কর, যে সাত মাসের মৃত শিশু জেলে যাচ্ছে তার বাবার সঙ্গে দেখা করার জন্য।এই নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। আওয়ামীলীগ এ সবের জাবাব দিতে পারে, এবং ভালোভাবেই পারে। এখনও তারা রাস্তায় নামলে তাদের সঙ্গে দেশের লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ যোগ দেবে। তারা কোন রাজনৈতিক নেতা কর্মী না, তারা হল এই ইউনূসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। ফলে নেত্রী যথক্ষনা না বলছেন কে নেতৃত্ব দেবেন কার কথা মানুষ শুনবে ততক্ষন তারা রাস্তায় নামতে পারছে না। কিন্তু এবার যে মাঠে নামার ডাক এসেছে, যে ডাক যে আসবেই তা বোঝা গিয়েছিল ভারত সরকার যখন রাজনিতীক দূতদের পরিবারকে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষনা দিয়েছিল।
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় হাসিনার দল আওয়ামী লীগ এ বারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। এ অবস্থায় নির্বাচনের ঠিক আগে হাসিনার এই অডিয়ো বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রায় এক ঘণ্টার বক্তৃতায় আগাগোড়া তিনি নিশানা করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আজ এক গভীর খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে কখনও ‘খুনি ফ্যাসিবাদী’, কখনও ‘সুদখোর’, কখনও ‘টাকা পাচারকারী’, আবার কখনও ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ বলেও আক্রমণ শানান হাসিনা।
ইউনূস সরকারকে ‘বিদেশিদের হাতের পুতুল’ বলে আক্রমণ শানান তিনি। এবং ‘বিদেশিদের হাতের পুতুল হয়ে যাওয়া’ এই সরকারকে উৎখাত করার ডাক দেন হাসিনা।
অন্তবর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ ‘এক বিশাল জেলখানা, এক বধ্যভূমি এবং এক মৃত্যু উপত্যকা’য় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন হাসিনা। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর আরও দাবি, ষড়যন্ত্র করেই ২০২৪ সালের অগস্টে তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনাকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকার বলছে, ওই বক্তব্যে বাংলাদেশে সরকার উৎখাত এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ভন্ডুল করার উদ্দেশ্যে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্টত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করছে।












Discussion about this post