টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যা নিয়ে জোর চর্চা চলছে বাংলাদেশে। ক্রিকেট খেলাও এখন রাজনীতিতে ঢুকে পড়েছে। বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে কিছু কিছু ক্ষেত্রে। অন্যদিকে শুক্রবার বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। প্রকাশ্যএ না এলেও শেখ হাসিনা দলের নেতা কর্মীদের বার্তা দেন। মুহাম্মদ ইউনূসকে তোপ দেগে বলেন, মুহাম্মদ ইউনূস দেশ চালাতে পারছে না। তাঁর বক্তব্য ছিল, যে সরকারের কোনও সাংবিধানিক বৈধতা নেই, যে সরকার জনগণের ভোটের দ্বারা নির্বাচিত নয়, সেই সরকার আওয়ামী লীগের মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে না কি? দলের তরফ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন প্রচার চালানো হচ্ছে, ‘যে নির্বাচনে নৌকা নেই, সেই নির্বাচনে ভোট নয়’। সংবাদ সম্মলনে বক্তব্য দেওয়ার পর ইউনূসের সরকার তীব্র পদক্ষেপ নিয়েছে। বলা যেতে পারে, ভারতের বিরুদ্ধ অ্যাকশনে চলে গেছে। অস্থিরতা একেবারেই তুঙ্গে। তখন ভারত বাংলাদেশীদের পুশব্যাক করছে। এক সংমাধ্যমে পাওয়া খবরনুযায়ী, অসম থেকে বেশ কিছু বাংলাদেশীকে পুশব্যাক করা হচ্ছে। পুশব্যাকের ফলে এক নেতা বলেছিলেন, ভারত আওয়ামী লীগের ৩০ হাজার নেতাকে অবৈধভাবে আশ্রয় দিয়েছে। অসম যখন পুশব্যাক করছে, বলা হচ্ছে তাদের কাছে কোনও কাগজপত্র কিছু নেই। ডকুমেন্টস নেই তাহলে এখান থেকেই প্রশ্ন আসে তাহলে আওয়ামী লীগদের নেতাদের কাছে কী সব বৈধ কাগজপত্র রয়েছে তারা তো এতদি্ন ধরে ভারতে অবাধে রয়েছে। কিন্তু ভারত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের পুশব্যাক করছে না। কেন পুশব্যাক করা হল, আসুন তবে জেনে নি। আসামে বাংলাদেশ থেকে আসা ১৫ জন অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা তিনি নিজে বলেছেন। হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলছেন, যারা অবৈধভাবে আসামে প্রবেশ করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নিরাপত্তাবাহিনী তাদের ফিরিয়ে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, সীমান্তে জোরদার নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে আরও। তবে মুখ্যমন্ত্রী কোন জেলা থেকে তাদরে সরিয়ে দিয়েছে সেই বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি। পুশব্যাকের ঘটনা এর আগেও আমরা দেখেছি। কিছু দিন আগে, অসম থেকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছে, ২১ জন বাংলাদেশিকে। গত কয়েক মাসে অসম থেকে প্রায় ৪০০ জনেরও বেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠান হয়। গত কয়েক সপ্তাহে পুলিশ শ্রীভূমি জেলা থেকে ৫৮ জন অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। অসমে বসবাসকারী অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাক অব্যাহত থাকবে বলে জানায় সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে তাদের মুখ ব্লার করে দেওয়া হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, রাতের অন্ধকারে তারা যাচ্ছেন। এখান থেকে প্রশ্ন আসছে অনেক গুলো রাতের অন্ধকারে তাদেরকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দিনের পর দিন ভারতে রয়েছেন ভারতের পক্ষ থেকে কোনও রকম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এখান থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট বর্তমান সরকারের সঙ্গে ভারতের তেমন মিল নেই এমনকী কূটনৈতিক দিক থেকেও নেই। ভারত এখনও আওয়ামী লীগের ওপর আস্থা রাখছে।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়।...
Read more












Discussion about this post