ওয়াকার কী চাইছেন নির্বাচন হোক বাংলাদেশে। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান। বাংলাদেশে যে নির্বাচন হচ্ছে সেটা কী ওয়াকার চাইছে নির্বাচন হোক বাংলাদেশে। ২০২৫ সালে ওয়াকার বলেছিলেন তাঁর বাহিনী ব্যারাকে ফিরতে চায়। ব্যারাকে ফেরার কথা কখনও মে মাসে বলেছেন, কখনও আবার নভেম্বরেও হয়েছে। ২০২৫ সালে একাধিকবার এরকম কথা হয়েছে। আসলে সেনাপ্রধান নিজে চান সেনারা ব্যারাকে ফিরুক। কারণ ওয়াকার বোঝাতে চাইছে অন্তবর্তী সরকারকে আপানারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করুক, অর্থাৎ অন্তবর্তী সরকারের সঙ্গে একটি দ্বন্দ দেখা গিয়েছে সেটা কিন্তু স্পষ্ট। ওয়াকারের এই দ্বন্দ কিন্তু এমনি এমনি না তাঁর একটা যুক্তি অবশ্যই আছে। এবার বলুন তো সেই যুক্তি কী? সেনাবাহিনীর বাইরে এবং ভেতরে যে ধরনের তদন্ত চলছে উচ্চপদস্থ থেকে শুরু করে একেবারে সাধারণ সেনা সদস্যসদের মধ্যে একের পর এক তদন্ত চলছে। কখনও সামরিক আদালত, কখনও আবার বেসামরিক আদালতে মাঝে মাঝে হাজিরা দিতে হচ্ছে সেনা আধিকারিকদের। আবার কোনও কোনও সময় সেনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হ্চ্ছে। বাংলাদেশে একেবারেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি। যদি এই পরিস্থিতি নির্বাচন হয় অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন হয় তাহলে কী হবে? নির্বাচনের পর যদি আবার নতুন কোনও সরকার ক্ষমতায় বসে তাহলে যে পরিস্থিতি হবে সেই পরিস্থিতি সেনা সামাল দিতে পারবে কী না প্রত্যেকটি বিষয় নিয়ে চিন্তিত ওয়াকার –উজ-জামান। ওয়াকার থেকে শুরু করে যেসমস্ত যে জেনারেলরা এখন তাদের কে নিরাপদ বলে ভাবছেন পরের যে কোনও সরকার এলে তারা আদৌ নিরাপদ কিনা সংশয় রয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি যতই উত্তপ্ত হবে ততই বাড়বে সেনার ভূমিকা। রাজনৈতিক মহলের তরফ থেকে বলা হচ্ছে এই অস্থির পরিস্থিতি তৈরী করতে চাইছে সেনা নিজেই। সেনা নিজেই উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরী করতে চাইছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তবেই তো সবাই বুঝতে পারবেন সেনার সাহায্য ছাড়া বাংলাদেশ অচল। মহম্মদ ইউনূসের পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ। অন্যদিকে, বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে কী হবে? কারণ তারেক রহমান ১৭ বছর পর বাংলাদেশে ফিরেছে। জিয়ার মৃত্যুর পর তারেক ফেরায় বাংলাদেশে বিএনপি নেতা কর্মীদের জন্য বাড়তি অক্সিজেন। তারেক ফেরায় দলের নেতা-কর্মীরা তারা জোরদার প্রচার করছে। ওয়াকার নিজেও বুঝতে পারেনি যে তারেক ফেরাতে দলের নেতা কর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠবে। সামাজিক, রাজনীতির অস্থিরতার দিকে বাংলাদেশকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাকিস্তান মডেল তৈরীর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাক মডেলকে কার্যকর করার জন্য তৈরী বাংলাদেশ সেনাপ্রধান। কিন্তু এই পাক মডেল তৈরী করে আদতে কী লাভ হবে সেটা সেনাপ্রধানই বলতে পারবেন। ওয়াকার খুব ভালো জানেন যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে তাহলে তারা বিপদে পড়বেন। কারণ তারা বিএনপির মহাসচিব সেনাপ্রধানের সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎকার করতে চেয়েছেন। নির্বাচন এত দেরীতে না হয়ে যাতে তাড়াতাড়ি হয় সেই জন্য সেনাকে পাশে চেয়েছিল বিএনপি। কিন্তু ওয়াকার বিএনপির মহাসচিবের সঙ্গে দেখা করতে রাজি ছিলেন না। ওয়াকার ভালো মতোন জানেন নির্বাচনের পর যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা সম্স্যায় পড়বেন। জুলাই অগস্টের আন্দোলন থেকে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশে, যাদের মৃত্যু হয়েছে হতে পারে তারা কেউ কেউ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। আবার কেউ কেউ সাধারণ মানুষ। যত মানুষ মারা গেছেন তার দায় কী নেবেন ওয়াকার… এখন দেখআ যাক ওয়াকার কী করেন। উত্তর তো সময়ই দেবে।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়।...
Read more












Discussion about this post