বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ।
ইউনূসের আমলে বাংলাদেশের এই সাধারণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ভারতকেও আনুষ্ঠানিক ভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঢাকা। রবিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস এমনটাই স্পষ্ট করে জানায়। তবে যে ইউনূস এত ভারতবিদ্বেষ যার মনে সে কিনা হঠাৎ বাংলাদেশের নির্বাচনে সেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ করেছেন! সত্যি শুনলেও অবাক লাগার বিষয়। আসলেই বিদেশি চাপ এবং ভারতকে শান্ত রাখার কৌশলে এগোচ্ছে বাংলাদেশের উপদেষ্টা মহল ও তথা বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস। এমনটিই মত বিশেষজ্ঞদের। যদিও শুধু ভারত নয়,ভারত-সহ একাধিক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে ডাকা হয়েছে ঢাকায় এমনটি জানাচ্ছে ইউনূসের উপদেষ্টা মহল।তবে এখনও পর্যন্ত ১১টি দেশ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে কোনও সাড়া দেয়নি, সেই দেশগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে রয়েছে মোদির ভারত। ফলে ভোটের দিন আদৌ ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনও পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে যাবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়। প্রসঙ্গত ইউনূসের বক্তব্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধি মিলিয়ে মোট ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে জানিয়ে নিশ্চিত করেছেন। ইউনূসের মতে, শেষ মুহূর্তে আরও কয়েকটি দেশ সাড়া দিলে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ভারত ছাড়াও নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, মিশর, ফ্রান্স, কুয়েত, মরক্কো, নাইজেরিয়া এবং রোমানিয়ার তরফে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি বাংলাদেশকে আদৌ তারা উপস্থিত থাকবে কিনা। তবে বেশ কয়েকটি দেশ ও সংস্থা ইতিমধ্যেই পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা।অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন বা ওআইসি-সহ ছ’টি আন্তর্জাতিক সংগঠন মোট ৬৩ জন প্রতিনিধি পাঠানোর কথা নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া ১৬টি দেশ, ৩২টি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরাও এই নির্বাচনের পর্যবেক্ষণে থাকবেন। এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস থেকে ২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৫ জন, ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট থেকে সাত জন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট থেকে এক জন পর্যবেক্ষক অংশ নেবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে বাংলাদেশে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের তিনটি সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৫৮, ১২৫ এবং মাত্র চার জন। সেই তুলনায় এ বারের নির্বাচন নজরদারির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উপস্থিতি দ্বিগুণেরও বেশি থাকবে বলে আশা করছেন মোহাম্মদ ইউনূস।অন্তর্বর্তী সরকারের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এখনও বহু দেশের সিদ্ধান্ত বাকি থাকায় পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের দাবি, এই নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনেই আয়োজন করা হচ্ছে।
এখন বিষয় হচ্ছে ক্ষমতায় আসার প্রথম থেকেই যে মৌলবাদে বিশ্বাসী ইউনুস বরাবর ভারতবিদ্বেষ দেখিয়ে এসেছে। এমনকি হাসিনার আমলে যে ভারত ছিল বাংলাদেশের পরম বন্ধু আজ পরিবর্তনের সাথে ইউনুসের হাত ধরে সেই ভারতীয় এখন বাংলাদেশের চরম শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে ইউনূসের চোখে দেখা সেই শত্রু দেশ তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ যা যথেষ্ট তাৎপর্য রাখে বলে মত বিশেষজ্ঞদের এখন দেখার বিষয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ভারতের রাজধানী দিল্লি আদৌ কি সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more











Discussion about this post