ভারতে আছে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালে ৫ অগস্ট দেশ ছাড়ার পর থেকে তিনি ভারতেই আছেন। কিন্তু কেমন আছেন শেখ হাসিনা ভারতে? তাঁর জীবনধারাতেও কী কী পরিবর্তন এসেছে? ভারতে থেকে তিনি কী বা করছেন এই প্রশ্ন সকলেরই। যেমন তাঁর দলের আওয়ামী লীগ কর্মী সমর্থদকের তেমনই বিরোধীদলের। বলা যায় কৌহূল সব মহলেই রয়েছে। শেখ হাসিনা ভারতে থাকলেও তিনি প্রথম ৬ মাস অর্থাৎ বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে মুখ না খুললেও পরে তিনি একাধিকবার সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন। কখনও মেলের মাধ্যমে আবার কখনও তিনি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন। জানুয়ারীর ২১ তারিখ ব্রিটেনের আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। দিল্লিতে গিয়ে দেখা করেন শেখ হাসিনার সঙ্গে। আওয়ামী নেতাদের বক্তব্য, ভারতের রাজধানীর একটি বিলাসবহুল প্রাসাদে রয়েছেন শেখ হাসিনা। কঠোর সেখানসকার নিরাপত্তাবাহিনীও। নিরাপত্তা যথেষ্ট আটোসাটো সেখানে। হাসিনার সঙ্গে দেখা করার পর একটি সংবামাধ্যমকে শেখ হাসিনার বর্তমান জীবন কেমন সেটা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
সেই প্রতিবেদননুযায়ী, এক সপ্তাহের সফরে দিল্লিতে যায় ব্রিটেন আওয়ামী লীগের ৫ নেতা। গত ২১ শে জানুয়ারী তারা দেখা করেন হাসিনার সঙ্গে। তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রায় ৫ ঘন্টা ছিলেন। সূত্রের খবর, হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন ব্রিটেন আওয়ামী লীগের সভাপতি জালাল উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহাদ চৌধুরী এবং ব্রিটেন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল খান।
ব্রিটেনের আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন, নিরাপত্তার কারণের জন্যই মোবাইল বা ব্যাক্তিগত কোনও গ্যাজেট নিয়ে যেতে পারমিশন দেওয়া হয়নি। এক নেতা বলেন, ‘আমরা সেখানে ৫ ঘন্টা ছিলাম। পুরো ৫ ঘন্টা শেখ হাসিনা আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। শেখ হাসিনা শরীর নিয়ে নেতারা বলেন, শারীরীক কোনও অসুস্থতা বোঝা যায়নি। শারীরিক ওজন তাঁর অনেকটা কমেছে।
কেমন বাড়িতে শেখ হাসিনা রয়েছেন নিশ্চয়ই এই প্রশ্ন এখন সামনে আসছে… সেই বিষয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন, হাসিনা যেই বাড়িটিতে রয়েছেন সেটি সুসজ্জিত। বিশাল প্রাসাদে রয়েছেন। তাঁকে হেল্প করার জন্য় অনেক কর্মচারী নিযুক্ত রয়েছে। একজনই শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত দেখা করতে পারেন। সেটা তার বোন সেখ রেহানা। তিনি লণ্ডন থেকে সবসময়ই দিল্লিতে গিয়ে দিদির সঙ্গে অর্থাৎ শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। এই সব তথ্য দিয়েছে ব্রিটেনর আওয়ামী লীগের নেতারা।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট বিক্ষোভের জেরে দেশ ছাড়লেও তিনি রাজনীতিতে আছেন। সশরীরে না থাকলেও তিনি অনলাইনের মাধ্যমে একের পর এক নেতা-কর্মীদের বার্তা দিয়ে চলেছেন। গণ বিক্ষোভের জেরে দেশ ছেড়েছিলেন হাসিনা। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকেরা তারা হতাশা হয়ে পড়েছিলেন। সেই থেকে দিল্লিতেই গোপন আস্তানায় রয়েছেন। তাঁর বাসস্থানের ঠিকানা সামনে আনা হয়নি। বাংলাদেশের আদালত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মামলায় হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার একাধিক বার হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে ভারত সরকারকে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু ভারত থেকে বলা হয়েছে ঢাকায় যায়নি। শেখ হাসিনা।












Discussion about this post