ভোট শুরুর আগেই পূর্ব মেদিনীপুরে সংঘর্ষ-রক্তপাত ও মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে মৃত্যু হল এক তৃণমূল নেতার। ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। ঘটনার জেরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। শুক্রবার রাতে মহিষাদলে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় আটক ৫। মৃত বছর ৪২-এর শেখ মইবুল মহিষাদলের বেতকুন্ডুর বাসিন্দা। অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে। জানা যায়, বেতকুন্ডু গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিকেলে বিজেপির নেতা কর্মীদের সাথে কথা কাটাকাটির পরে সংঘর্ষ বাঁধে। রক্তাক্ত অবস্থায় মইবুলকে স্থানীয় মহিষাদলের বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তমলুকে রেফার করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। যদিও, তৃণমূলের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে।
উল্লেখ্য, রাজ্যের পঞ্চম দফা পর্যন্ত ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হলেও ষষ্ঠ দফার শুরু থেকেই থেকে সংঘর্ষ, অগ্নি সংযোগ মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটে চলেছে। তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মহিষাদল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুদর্শন মাইতি বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই নিন্দনীয়। মহিষাদলে এই ধরনের আবহ ছিল না। বিজেপি এসেই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। আমরা এর তীব্র ধিক্কার জানাই।’ এই বিষয়ে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত পুলিশ তদন্ত করলে তা উঠে আসবে। আমরা চাই সঠিক তদন্ত হোক।’












Discussion about this post