কোপা আমেরিকা সেমিফাইনালে কানাডাকে হারিয়ে ফাইনালে প্রবেশ করল আর্জেন্টিনা ।আলভারেজ ও মেসির গোলে কানাডাকে দুই শূন্য গোলে হারায় তারা। ফুটবল ইতিহাসে টানা তিনটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট জিততে আর এক ধাপ দূরে রয়েছে মেসিরা ।স্পেন একমাত্র দল যারা তিনটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট জিতেছে ।আর একটা ম্যাচ জিততে পারলে ২০২১, ২০২২ সালের পর ২০২৪ সালে বড় ট্রফি ঘরে তুলবে আর্জেন্টিনা।
এবার কোপায় আত্মপ্রকাশ করা কানাডা প্রথম থেকে ভালো শুরু করেছিল। প্রথমবার কোপা আমেরিকার ম্যাচ খেলতে নেমে রেকর্ড তৈরি করেছিলেন তারা। দ্বিতীয় দল হিসেবে প্রথম বছরই তারা সেমিফাইনালে প্রবেশ করে। এদিন তারা ছোট দল হিসেবে নয়, বড় দল হিসেবে ফাইনালে যেতেই খেলা শুরু করেছিল। তবে আর্জেন্টিনার গোলের সামনে গিয়ে বারবার সমস্যায় পড়েছে কানাডা। কানাডা শুরুটা ভালো করলেও স্কালোনির আর্জেন্টিনা একটু গুছিয়ে নিয়ে ফের খেলা শুরু করে। কুড়ি মিনিটের মধ্যে তারা কাম ব্যাক করে ।কানাডার দুই ডিফেন্ডার অ্যারিস্টার জনস্টন এবং ময়েস বোম্বিতোর মাঝ দিয়ে গোল করে আলভারেজ।
রডরিগো ডি বলের পাস থেকে প্রথম গোল করে আলভারেজ দলকে এগিয়ে দেন। এরপর প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। ৪৪ মিনিটে গোলের সুযোগ পান মেসি । ডি মারিয়ার পাশ থেকে করে শট নিলে পোষ্টের বাইরে মারেন ।তবে এই গোলটা মেসির পর তাকে খুব একটা বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। বিরতির পর ৫১ মিনিটে গোল করেন মেসি। কানাডা নিজের ভুলে মেসিকে গোল উপহার দেয়। রক্ষণের গাফিলতিতে মেসি সহজেই গোল করে যান। ফার্নদেজ বক্সের মাঝে মেসিকে পাস বাড়ান। আর মেসি সহজেই পা ছুঁইয়ে গোল করে যান। তবে কানাডাও গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু তারা কাজে লাগাতে পারেনি। আর গোলের সামনে গিয়ে বারবার খেয়ে হারিয়ে ফেলার সুবিধা নিতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে কানাডা ধাক্কা খায়।
চোট পেয়ে বেরিয়ে যায় আলফানসো ডেভিড ।এরপর অবশ্য তারা ৮৯ ও ৯০ মিনিটে পরপর দুটো সুযোগ পেয়েছিল কিন্তু আটকে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ঘোষণা মত এদিন শুরু থেকেই ডি মারিয়া ও মেসিকে খেলান স্কোলানি। এই নিয়ে দুই তারকা দেশের জার্সিতে একসঙ্গে ১১২ টা ম্যাচ খেললেন। এই ম্যাচটাকে চলতি কোপা আমেরিকা আর্জেন্টিনার অন্যতম সেরা ম্যাচ বলে মনে করছেন অনেকেই। তবে এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ফাইনালের আগে দলকে গুছিয়ে নিল স্কোলানি।












Discussion about this post