১৩ই ফেব্রুয়ারি। সেই দিনই ঘটতে চলছে বেশ কিছু ঘটনা। যার দিকে তাকিয়ে রয়েছে অনেকে। এমনকি তাকিয়ে রয়েছে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা। তবে কেন ১৩ই ফেব্রুয়ারি? কি ঘটতে চলেছে সেদিন?
জানা যাচ্ছে ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, নরেন্দ্র মোদী এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার রয়েছে। ২৭ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে ফোনে কথা হয়। গোপন সূত্রে খবর, ঐদিনই মোদি ওয়াশিংটন যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। ১২ই ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে যাবেন নরেন্দ্র মোদী। এমনটাই জানাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। 12 এবং 13 তারিখ ওয়াশিংটনে থাকবেন নরেন্দ্র মোদি। শোনা যাচ্ছে, এই সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগ বা হাসিনা সম্পর্কিত প্রসঙ্গ উঠে আসতে পারে। এমনকি গোপন সূত্রে খবর, বাংলাদেশ নিয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হতে পারে এই সাক্ষাৎকারে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি ফোন করে ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন। শপথ নেওয়ার দিন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর উপস্থিত ছিলেন শপথ অনুষ্ঠানে। অর্থাৎ ভারতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ট্রাম্প, তা সম্প্রতি ঘটে চলা ঘটনাগুলির দিকে নজর রাখলেই বোঝা যায়। তবে একটি বিষয় নিয়ে ভারত এবং আমেরিকা মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তা হল বাংলাদেশ। কারন যেভাবে পদ্মাপাড়ে অশান্তি চলছে, তাতে অন্য দেশগুলির বাংলাদেশে বাণিজ্য করতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ছোট বড় ব্যবসায়ী। ফলে পদ্মাপাড়ের অশান্তি নিয়ে কড়া কোনও পদক্ষেপ না করলেও বেশ কিছু মন্তব্য করেছে।
তবে চিন্তার কারণ হল, ভারতের কথা কর্ণপাত করছে না বাংলাদেশ। উল্টে সে দেশে ঘটে চলা ঘটনা গুলি নিছকই ভারতের গণমাধ্যমের সম্প্রচার করা ভুয়ো খবর, সেটাও বারবার বলা হচ্ছে। এই বক্তব্যে সীলমোহর দিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মাঝে ঘটে গিয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর। যে ঘটনা নিয়ে চুপ করে থাকেনি নয়া দিল্লি। সেই নিয়ে ভারত বিবৃতি দিতেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তরফে জানা হয়েছে।
তবেই ১৩ ই ফেব্রুয়ারির দিকে নজর রয়েছে প্রত্যেকের। মোদি ট্রাম্পের বৈঠক থেকে কোনও রফা আসতে পারে কিনা, তার দিকেও তাকিয়ে রয়েছে আওয়ামীলীগ এবং সে দলের নেতাকর্মীরা।












Discussion about this post