১৯৭১ এর যুদ্ধের স্মৃতি ফিরতে চলেছে বাংলাদেশে! যখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। যা এখন ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে, সংবাদমাধ্যম পত্র-পত্রিকায় প্রাধান্য পাচ্ছে একাত্তরের পুনরাবৃত্তের ঘটনা। কারণ যেকোনো মুহূর্তে ভারত অ্যাকশন নিতে পারে।
কর্নেল অজয় রায়না যিনি ছিলেন, শেষ র এর ডেপুটি ডিরেক্টর। ৩১ শে মার্চ ২০২৫ এ তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এরপরে তিনি মিডিয়ার সামনে সমস্ত বিষয়টি তুলে ধরেন। বাংলাদেশ যে চিকেন নেক দখলের স্বপ্ন দেখছে তা কার্যত দেওয়া স্বপ্ন কারণ ভারত এর বিরুদ্ধে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে চলেছে।
চীনের বণিকদের বাংলাদেশের ডেকে আনতে সেদেশের প্রধান উপদেষ্টা ভারতের সেভেন সিস্টার্স বা উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য উপেক্ষা করতে ছাড়েননি। চীনকে বাংলাদেশের বন্দর দান করতে ভারতের সাতটি রাজ্যের প্রসঙ্গ তুলে আনেন। সেভেন সিস্টার স্থলবেষ্টিত বলে উল্লেখ করে বাংলাদেশকে এই অঞ্চলের সমুদ্রের অভিভাবক হিসেবে উল্লেখ করেন মোহাম্মদ ইউনুস।
আর এই বক্তব্যের পরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতীয় রাজনীতিবিদরা। বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরার গুরুত্বপূর্ণ দল তিপ্রা মোথার প্রধান প্রদ্যৎ কিশোর মানিক্য দেববর্মা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কড়া হুশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের উপর ভারতের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দেশের “সবচেয়ে বড় ভুল” বলে অভিহিত করেছেন। কৌশলগত সমুদ্র পথের পক্ষে কথা বলে, তিনি ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির জন্য সমুদ্র প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের ভূমিকার উপর জোর দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলের সর্বদা আদিবাসী উপজাতিরা বাস করত যারা সর্বদা ভারতের অংশ হতে চেয়েছিল। যারা লক্ষ লক্ষ ত্রিপুরা গারো এবং চাকমা মানুষ বাংলাদেশের বাস করে কিন্তু তাদের ঐতিহ্যবাহী জমিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই, ভারতের নতুন পদক্ষেপের সংকেত পেয়েছে কূটনৈতিক মহল তা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর উদ্যত বাংলাদেশ সরকার। তাই দুই দেশের এই যুদ্ধ এর প্রস্তুতি তে আশঙ্কা করা হচ্ছে আবারো ৭১ এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে বাংলাদেশে।
Discussion about this post