বাংলাদেশে এখন প্রবল ভারত বিদ্বেষ। বারবার ভারতের দিকে ধেয়ে আসছে একাধিক মন্তব্য। শুধু তাই নয়, হুমকি, হুশিয়ারি পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে। তারমধ্যে খবর উঠে আসছিল, পাকিস্তান থেকে অস্ত্র মজুত করছে বাংলাদেশ। এমনকি চট্টগ্রাম বন্দরে পাক জাহাজও দেখা গিয়েছে। জাহাজে আসা কন্টেনার গুলিতে অস্ত্র থাকবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। এরমধ্যে উস্কানি বাড়াতে তুরস্ক থেকে আমদানি করা হচ্ছে অস্ত্র। শুধু তাই নয়, যত দ্রুত সম্ভব সামরিক চুক্তি কার্যকর করতে হবে। তুরস্কএর বাণিজ্য মন্ত্রীর তরফে বৈঠক করা হয়েছে। আর তারপর এমনটাই দাবি করা হয়েছে বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টার তরফে। তুরস্ক থেকে অস্ত্র কেনার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। অনেক আগে থেকেই পাকিস্তান থেকে অস্ত্র কিনছিল বাংলাদেশ। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, তবে চাপ বাড়াতে নতুন করে খেলা শুরু হল?
বাংলাদেশের উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিমে ভারতের সঙ্গে সীমান্তে রয়েছে এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর রয়েছে। এটি মায়ানমারের সঙ্গে ২৭৫ কিলোমিটার প্রসারিত সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে। বাংলাদেশ তার ভারত , মায়ানমার উভয় সীমান্ত ট্যাংক মোতায়েন করেছে বলেও খবর রয়েছে। ভারতের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান ঘোষণা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যেই ট্রাঙ্ক কেনার জন্য তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করছে বাংলাদেশ। এই বিষয়টি সামনে এসেছে, যখন বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সঙ্গে তুর্কির তৈরি ড্রোন মোতায়েন করে।
অর্থাৎ, বাংলাদেশ এখন উঠেপড়ে লেগেছে যুদ্ধের জন্য। আর বিভিন্ন ইস্যুতে উস্কাচ্ছে ভারতকে। কিন্তু ভারত সেই ফাঁদে পা দেবে না, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। বাংলাদেশ যে পাতা ফাঁদ সেটা পরিষ্কার বুঝেছে ভারত।
যদিও ভারতের সীমান্তে কড়া প্রহরাতে রয়েছে বিএসএফ। যাতে অনুপ্রবেশ আটকানো যায়। সিল করা হয়েছে অধিকাংশ জায়গায়। টহল চলছে বিএসএফ জওয়ানদের। বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। রাজ্য ও কেন্দ্র এক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করছে বাংলার সীমান্তবর্তী এলাকায়।
ভারতও রণসজ্জায় সজ্জিত। রাশিয়া থেকে অস্ত্র আমদানি জারি রেখেছে। সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত সজাগ ভারত। যদিও সামরিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের তুলনাই হয় না। একটি ৩৭ তম স্থানে থাকা দেশ চতুর্থ স্থানে থাকা দেশের সঙ্গে কোনওভাবেই পেরে উঠবে না, জানে প্রত্যেকে। অপরদিকে যুদ্ধের জন্য ভারতকে যে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে, সেখানেও ভারত অত্যন্ত সতর্ক। কাজেই বাংলাদেশ কোন চালে কি করতে চায়, কোন দেশের সাহায্য নিয়ে এগোতে চায়, তাতে করা দৃষ্টি রেখেছে ভারত। এখন দেখার, অপেক্ষিত চর্চিত এবং অপেক্ষিত জানুয়ারি মাসে কি হতে চলেছে!
তবে তুরস্ক থেকে ট্রাঙ্ক মোতায়েন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে বহু খবর উঠে আসছে। বাংলাদেশ এত অর্থ পাচ্ছে কোথা থেকে? কারণ, দেশের অভ্যন্তরে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেটাই লাগান জানতে পারছে না মোহাম্মদ ইউনুস। খুবই খুঁজছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। তার মধ্যেই যুদ্ধের জিগির তুলে বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্রশস্ত্র ট্র্যাঙ্ক মোতায় নিয়ে প্রশ্ন ছিল উঠছে।












Discussion about this post