।
বহুদিন ধরে বহু চেষ্টা করে বিফল হতে হতে, একদিন হঠাৎ করেই সফল হলেন মহম্মদ ইউনূস। মোদিজীর হাত ছুঁতে পারলেন তিনি। বিভিন্ন বিষয়ে ধমক খাওয়ার পরও,তার প্রেস সচিব বলছেন আলোচনা ফলপ্রসু। মানেটি হল যে জলভাগের মালিক হওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন ইউনূস। সেই জল ছাড়া মাছ বাঁচলেও ভারত ছাড়া তিনি বাঁচবেন না।
Vo- আসলে যখন বাংলাদেশের নাচানাচিকে কেউ পাত্তাই দিচ্ছে না।হাসিনা বিদায়ের পর ইউনূস বাহিনী মনে করে ছিল, এত বড় কান্ড ঘটালাম, নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে দেশ ছাড়া করলাম, সারা পৃথিবী আমাদের বিপ্লব নিয়ে আলোড়িত হবে, আলোচিত হবে, কিন্তু দেখা গেল পাকিস্তান ছাড়া আর সবাই আলোচনা নয়,উল্টে সমালোচনায় ভরিয়ে দিচ্ছে।অন্যদের কথা বাদ দিন, খোদ আমেরিকার বর্তমান রাষ্ট্রপতি একটু ঘুরিয়ে বলছেন এটির পিছনে বাইডেন সরকার এবং জর্জ শরসের হাত আছে। বিভিন্ন জায়গাতে শুধু সমালোচনাই যখন হচ্ছে, তখন ইউনূস দেশবাসীর কাছে হিরো সাজার চেষ্টা করতে গিয়ে, বার বার গাড্ডায় পড়ছেন। মানে যখন কেউ ইউনূসকে নিয়ে নাচানাচি করছে না, তখন নিজে নিজেই অন্যের নজরে আসতে গিয়ে জোরে জোরে লাফাচ্ছেন আর উল্টোপাল্টা জায়গায় আছাড় কাছাড় খাচ্ছেন।যেমন চিন যাওয়ার আগে বার বার চেষ্টা করছিলেন যে, যদি একবার মোদিজীর সঙ্গে বসা যায়। তাহলে দেশে কিছুটা মুখ রক্ষা করা যায় আরকি।
মানে মোদিজির কাছে ধমক খেয়েও দেশের কিছু চাটুকারকে বলতে পারবেন হাসিনাকে ফেরত চেয়েছেন।যখন অনেক অনুরোধ অনুনয় বিনয়ের পরও মোদিজি রাজি হলেন না, তখন চিনে গিয়ে অজ্ঞানের মত বলে বসলেন মহাসমুদ্রের মালিক নাকি বাংলাদেশ। মনে হয় আপনি সুদের টাকার হিসাবই রেখে গেছেন, কোন দিন নিজের দেশের ম্যাপটিও দেখেন নি। ম্যাপ দেখলে বুঝতে পারতেন এই এলাকার সমুদ্রের গার্জেন কে। ইউনূস সাহেব সমুদ্রের কথা বাদ দিন, ইন্ডিয়ান ওসেন ছাড়ুন, আরবিয়ান ওসেন ছাড়ুন, প্যাসিফিক ওসেন সেটাও বাদ দিন। বে অফ বেঙ্গলের গার্জেন কে বলুন তো? ম্যাপে দেখুন একদিকে আন্দামান আছে, যেটির মালিক ভারত। তাছাড়া ৬ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের সামুদ্রির বাউন্ডারির মালিক ভারত। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া এবং থাইল্যান্ড এরা শুধু ভারতের বন্ধু নয়, তারা এখন ভারতের গুনমুগ্ধ বন্ধু। আর এই বন্ধুত্ব্যের প্রমান তো পেয়ছেন থাইল্যান্ডে মোদিজীর অভ্যথনা আর আপনার অভ্যর্থনা দেখে। এছাড়া মায়ানমারের সেনার সঙ্গে ভারতের সেনার সুসম্পর্ক বহুদিনের। তো ইউনূস সাহেব এই নিয়ে বললে তো শেষ হবে না। কেউ পাত্তা দিচ্ছে না বলেই যেখানে সেখানে যা খুশি বলে বেড়াবেন।
ক্ষমতা যেভাবেই দখল করুন, এই মহুর্তে একটি দেশের সর্বময় কর্তা আপনি, অন্তত যতদিন ভোট না হচ্ছে। ততদিন তো একটু ভেবে চিন্তে বলুন। আর এই ভাবে, এমন কিছু বলবেন না যাতে লোকর মনে এই প্রশ্ন না জাগে, যে নোবেল প্রাইজটাও কি ভিক্ষে করে পেয়েছেন। তবে এটা বোঝা গেল আপনি কতটা উৎসূক ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য, মোদিজি হাত ছাড়িয়ে নিতে চেয়েও পারছেন না। এমন শক্ত করে ধরেছেন, অন্যদিকে আপনার দেশের মিডিয়া আলোচনা করছেন ইউনূস সাহেবের সঙ্গে মিটিং এর আগে মোদিজী নার্ভাস ছিলেন কিনা। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য এই মিটিং হয়নি, মিটিংটি হয়েছে প্রশ্ন করার জন্য। বিশেষ করে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর কেন অত্যাচার বন্ধ করা যাচ্ছে না, আর প্রধান যে বিষয়টি হল যে ইউনূস সাহেব কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে নিজেকে সমুদ্রের গার্জিয়ান বলেছেন। আপনি তো আসলেই চিনে গিয়েছিলেন দেশ বিক্রি করতে, সেই চিনে যেখানে, আপনার মত একজন দেশপ্রধানকে স্বাগত জানাতে হাজির একটি শহরের প্রধান। যারা দেশ বিক্রি করে তাদের হাল কি হয় তা পাকিস্তানের থেকে জেনে নিন।যখন দেখলেন কোথাও কিছুই জমছে না তখন ভারতে বিতর্ক হয় এমন একটা আজে বাজে মন্তব্য করে দিলেন, যে আপনি সমুদ্রের গার্জেন। আপনি সেই পাকিস্তানকে আমন্ত্রন করে চিকেন নেক দেখাচ্ছেন, যে পাকিস্তান নিজেই জানে না কাল তাদের ভবিষ্যৎ কি। চিনকে ভারতের সেভেন সিস্টার নিয়ে বলছেন ল্যান্ড লক কান্ট্রি। এই সব করে আসলে আপনি নিজের দেশের কবর খুঁড়ছেন। বর্তমান সময়ে কোন দেশ তাদের বাজেটে প্রতিবেশী দেশের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে জানেন।
ভারত ছাড়া আর একটি নামও বলতে পারবেন না।আর যারা করে তারা সেই অর্থের বিনিময়ে কি করে সেটা তো আপনার থেকে ভালো আর কেউ জানে না। আর শেষে বলে রাখি ইউক্রেন বা গাজার মত না হতে চাইলে সুধরে জান। এখন রাশিয়া বলছে ইউক্রেনের যতটা দখল করেছি ততটা আমাদের। আমেরিকা বলছে গ্রিনল্যান্ড আমার চাই, চিন বলছে তাইওয়ান চাই। ভারত যে দিন বলবে আমাদের অখন্ড ভারত চাই সেদিন কিন্তু চীন আমেরিকা রাশিয়া কেউ কোন আপত্তি করতে পারবে না। আর তখন চিকেন নেক বলেও কিছু থাকবে না।
Discussion about this post