চীন সফরে গেলেন বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহম্মদ ইউনূস। যাওয়ার আগে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেনি ভারত। আর তারপরই বেজিং এর উদ্দেশ্যে উড়ে গেলেন ইউনূস।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, অন্তবর্তী সরকারের প্রধান চেয়েছিলেন ভারত সফর করতে। এবং সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসতে। কিন্তু ভারত তার কোনও সদুত্তর দেয়নি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগে বাংলাদেশের পূর্বের প্রধানমন্ত্রীরা যতবারই চীন সফরে গিয়েছেন, ততবারই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে তারপর বেজিং এ গিয়েছেন। আর এই ধারাটি বহু বছর ধরে হয়ে আসছে। চিনে গিয়ে চীন সরকারের সঙ্গে কি কি বিষয়ে আলোচনা হবে, সে সমস্ত কিছু ভারতকে অবগত করে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু এবার সেই রীতিটি ভেঙে গেল। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টার প্রেজ সচিব সাংবাদিক সম্মেলন করে বোঝাতে চাইলেন, মোহাম্মদ ইউনুস সেই ধারাটি বজায় রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভারত কর্ণপাত করেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারকে মানে না ভারত। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখনো শেখ হাসিনাকেই মান্যতা দিয়ে এসেছে ভারত। কাজেই সেই সরকারের কোনরকম চিঠি, আবেদনের সাড়া দেয়নি ভারত সরকার।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে আরো একটি বিষয় উঠে আসছে মোহাম্মদ ইউনূসের চীন সফর ঘিরে। এর আগে বাংলাদেশের একাধিক প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করেছেন। আর কাকতালীয়ভাবে চীন শহরের পরে তাদের ক্ষমতা চুরি হয়েছে। এক্ষেত্রে নাম উঠে আসে জিয়াউর রহমান, এরশাদ, এবং শেখ হাসিনা সেই তালিকায় রয়েছেন। শেষবার তিন সফর করে বাংলাদেশে ফিরতেই তাদের ক্ষমতা চলে গেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছেন, তবে কি এবার ইউনূসের পালা? যদিও ইউনূসকে রাষ্ট্রপ্রধান বলা না গেলেও তিনি তদারকি সরকারের প্রধান বটে। তাই সেই তালিকা থেকে বাদ রাখছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
এখন দেখার, ভারতকে বাদ দিয়ে চীনে গিয়ে তিস্তা প্রকল্পের রূপায়ণ আদেও হয় কিনা। নাকি মোহাম্মদ ইউনুস চীনের কাছে ঋণ দেওয়ার চেষ্টা করেন? আর এটা ঘটলে মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, মায়ানমার, কিংবা পাকিস্তানের মতো অবস্থা হবে বাংলাদেশের ও। কারণ এরা প্রত্যেককে চীনের কাছে ঋণ নিয়ে দেউলিয়া হয়েছে। চীনের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছেন ইউনুস। তাও আবার ভারতকে টপকে। এখন দেখার, চীন থেকে কি নিয়ে আসেন নোবেল জয়ী।












Discussion about this post