হাসিনা কি বাংলাদেশে ফিরতে চলেছেন? কিন্তু কবে? গোপন সূত্রে জানা যাচ্ছে, মার্চের মধ্যেই শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে পারেন। অনেকে বলছেন, সেই কারণেই বাংলাদেশে সেনাবাহিনীকে দেখা যায় সক্রিয়ভাবে। আসলে শেখ হাসিনাকে প্রত্যাবর্তনের রাস্তা তৈরি করছেন ওয়াকার। আর তারই ফলস্বরূপ দেখা যাচ্ছে, সেনাবাহিনীকে সক্রিয়ভাবে।
এখনও ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি পর্দার আড়াল থেকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন তিনি। কখনও তিনি বলেছেন, দেশে ফিরবেন। আবার কখনও বলেছেন যত দ্রুত সম্ভব তিনি দেশে ফিরবেন। এমনকি দেশের অরাজক পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, ইউনূস জমানায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে তারও উল্লেখ করেন। এই নিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়, যেন শেখ হাসিনা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কোনও বিবৃতি না দেন। এমনকি ভারতকে অনুরোধ করা হয়, যাতে চুপ থাকেন শেখ হাসিনা। যদি হাসিনার বক্তব্যে বাংলাদেশে অশান্তি হয়, তবে সেটার দায় ভারতকে নিয়ে হবে। ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে, হাসিনার বক্তব্য তার ব্যক্তিগত। সেগুলি ভারতের কথা নয়। তারপরই হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনা শুরু হয়।
শেখ হাসিনা, তিনি শুধু বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাই নয়, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কন্যা। যিনি বাংলদেশে এনেছিলেন স্বাধীনতা। ভয়ংকর হল, যখন শেখ হাসিনার পিতা অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর কৃতিত্বকে অস্বীকার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ঘোবের সঞ্চার ঘটাতে সাহায্য করলো বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতাদের পিছনে থাকা কষ্টের পন্থী মৌলবাদীরা। যখন বৈষম্য বিরতির ছাত্র আন্দোলন সফল হলো এবং শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটলো তার কিছুদিনের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে গেল, এই আন্দোলন ছাত্রদের আন্দোলন ছিল না। যেমন ছিল ঠিক একইভাবে পাকিস্তানী শহর কল কাঠি নেড়েছিল। না হলে এই বেরাজ আন্দোলনের পথ যোগান হলো কীভাবে? উঠেছিল প্রশ্ন।
এখন আসি শেখ হাসিনার দেশে না ফেরার তত্ত্ব খাড়া করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এর আগেও হাসিনা ফেরার কথা জানিয়েছেন। তারপর কেটে গিয়েছে অনেকগুলি মাস। এছাড়াও হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে, বিপুল মানুষের সমর্থনে। অর্থাৎ জনরোষে তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। এরপর তিনি কিভাবে ফিরবেন দেশে? এর পাশাপাশি অনেকে বলছেন, হাসিনা দেশে ফিরলে আবারও দেশ উত্তপ্ত হবে। সেটা জানেন তিনি। সেই কারণেই দেশে ফেরার কেবল রব তৈরি করছেন তিনি। আদতে শেখ হাসিনা এখন দেশে ফিরতে পারবেন না।
অন্যদিকে আর একদল বলছেন, শেখ হাসিনা ফিরবেন। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ভার্চুয়াল বৈঠকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন দেশে ফেরার কথা। এছাড়াও আমেরিকা এবং ভারতের সমর্থন রয়েছে তার দিকেই। কাজেই এরকম দুটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হাসিনার পাশে থাকতে কিসের ভয়। তিনি ফিরছেন যত দ্রুত সম্ভব।
মার্চেই মুজিব কন্যা ফিরতে পারেন বলে চাউর হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। তবে তত্ত্ব-পাল্টা তত্ত্বের মাঝে আদেও কবে ফেরেন শেখ হাসিনা, সেটাও দেখার।












Discussion about this post