গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগ দাবি করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগের এই দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সংগঠক অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান। একইসঙ্গে গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসকের অপসারণেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টার দিকে শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে। জাতীয় নাগরিক কমিটির গাজীপুর জেলা ও মহানগর শাখা এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে।
এবং ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রদের উদ্দেশ্যে ভাষণের ঘোষণা দেন ৫ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায়৷ এই ঘোষণা দুই-একদিন আগেই দেওয়া হয়৷ তারপর বুলডোজার দিয়ে ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দেয়ার আহবান জানানো হয়৷
গত বুধবার দুপুরে বৈষ্যমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘‘আজ রাতে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি মুক্ত হবে৷” রাত ৯টার পরই মিছিল করে গিয়ে ৩২ নম্বরে হামলা ও আগুন দেয়া হয়৷ ৩২ নম্বরে হামলা শুরু হওয়ার পর দেশের অন্যান্য জেলায়ও আওয়ামী লীগ নেতা, দলটির সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও শেখ পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে হামলা শুরু হয়৷ তারা পলাতক আছেন৷ ৩২ নম্বরে আগুন ও হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা পর হাসনাত আব্দুল্লাহ তার ফেসবুকে আরেকটি পোস্টে বলেন, ‘‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ৷”
কিন্তু ধানমন্ডির এই তাণ্ডব রেলের পর ইউনুস সরকার নরম সুরে জানিয়েছেন হাসিনার এই ধরনের আক্রমণ একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়। কিন্তু অন্য দিকে গাজীপুরে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা এবং আওয়ামী লীগের ৫ ই আগস্ট এর পর প্রায়শই ঘটে চলেছে বাংলাদেশে। সেগুলির কোন বিচার না করে এখন গাজীপুরে ছাত্র নেতাদের মারধরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পদত্যাগের দাবি করা হচ্ছে। কারণ অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্র নেতাদের হাতের পুতুল।












Discussion about this post