স্বস্তি, বহু টালবাহানার পর অবশেষে স্বস্তি পেল বাংলাদেশ। কী রকম স্বস্তি? আসলে বহুবার আবেদন, অনুরোধ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন ইউনূস। সেটা আবার সেমিনার হলের বাইরে ২৭ মিনিট অপেক্ষা করার পর। তবে এটা সাক্ষাত না বলে বার্তা নেওয়া বলছেন অনেকে। সে যাই হোক, তাদের এই সাক্ষাৎকারে কি উঠে এল, চলুন আলোচনা করা যাক।
বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। স্থায়ী সরকার গঠনের জন্য নির্বাচনের কোনও উচ্চবাচ্য নেই। ক্ষমতার অলিন্দে থেকে যেতে চান মহম্মদ ইউনূস। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এদিকে ভারতের সঙ্গে শত্রুতা বাড়িয়ে চলেছে বাংলাদেশ। ভারতের সাতটি রাজ্য নিয়ে হুশিয়ারি, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে ইউনূস সেভেন সিস্টার্স নিয়ে মন্তব্য করেছেন। আর এদিকে বারেবারে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার আবেদন করছেন। কিন্তু ভারত খুব একটা পাত্তা দেয়নি। কিন্তু তাইল্যান্ডে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে মুখোমুখি বৈঠকে বসার আবেদন এড়িয়ে যেতে পারেনি ভারত। বহু টালমাটালের পর বৈঠক হয়। সেখানে নরেন্দ্র মোদী ইউনূসকে কড়া বার্তা দেন। এমনকি সেদেশের হয়ে চলা সংখ্যালঘুদের উপর হয়ে চলা অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে সরব হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
নরেন্দ্র মোদী এক্স এ লিখেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। দুই দেশের একটি গঠনমূলক ও জনগণ কেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, আমি বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, এবং সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। যাতে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা না ঘটে, তারই নিশ্চিত করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। পাশাপাশি যারা এর সঙ্গে যুক্ত, তাদের বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্ক অবনতি হয়েছিল। এমনকি পরে বহুবাদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে বসার আবেদন করেছিলেন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস। কিন্তু ভারত কর্ণপাত করেনি। এইবার বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে বহু টালবাহানার পর বৈঠক হল দুই দেশের প্রধানের সঙ্গে।
Discussion about this post