দেশের পুরনো ইতিহাস ভুলে নতুন বাংলাদেশের শপথ। ভিন্ন ভিন্ন ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করে ধর্মনিরপেক্ষতার শপথ। জুলাই আন্দোলনের শহীদদের শ্রদ্ধাসহ ভারত বিদ্বেষ নিয়েই আত্মপ্রকাশ করল বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি। বিশাল জনসমাগমের মাঝে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের প্রথম সারির ছাত্র নেতারা। ছাত্রনেতাদের কণ্ঠে শোনা গেল সংঘর্ষ সম্প্রীতি বিদ্বেষ ভালোবাসার বার্তা নতুন দলের জন্মলগ্নে।
বাংলাদেশে ভারত ও পাকিস্তানপন্থী রাজনীতির কোনো ঠাঁই নেই। দেশ ও জাতির সার্থকে সামনে রেখে নতুন রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বক্তব্য উঠে এল ভারতবিদ্বেষী বার্তা। ভারত ও পাকিস্তানের রাজনীতির বিরুদ্ধে গিয়ে আদতে কাদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা সেই নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক কমিটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানের সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ছাত্রদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আর সেদেশের প্রশাসন সেই ভীড় দক্ষতার সঙ্গেই সামাল দিয়েছে। নতুন দলের জন্ম লগ্নে উপস্থিত হওয়া ছাত্রসমাজ কি বলছেন শুনুন,নতুন দলকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে গোটা ছাত্রসমাজ। নতুন বাংলাদেশ গড়তে নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ওপর ভরসা রাখছে তরুণ প্রজন্ম।
পাশাপাশি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বক্তব্যেও উঠে এসেছে নতুন বাংলাদেশের প্রসঙ্গ।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় এনসিপির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠাণে এদিন নাহিদ ইসলাম সাফ জানান, তাঁরা অতীত নিয়ে যতটা না আগ্রহী, তার থেকে অনেক বেশি আগ্রহী নতুন দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে। হাসিনাবিরোধী আন্দোলনের ‘তুমি কে, আমি কে, বিকল্প, বিকল্প’ স্লোগানটি তুলে ধরে বলেন, বিকল্পের জায়গা থেকে এই নতুন দলের আত্মপ্রকাশ। নাহিদের বক্তব্যে ভারত বিরোধীতার সুরও যেমন ছিল, তেমনি পাকিস্তানপন্থীদের প্রতিও ছিল সতর্কবার্তা। এদিন নতুন দলের সূচনা অনুষ্ঠানে কোরান, গীতা, বাইবেল, ত্রিপিটক থেকে পাঠ করে ধর্মনিরপেক্ষতার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা হয়। কিন্তু নতুন দলের শীর্ষনেতৃত্বের মধ্যে সংখ্যালঘুদের কোনও প্রতিনিধিত্ব না থাকায় আদৌ এদের হাতে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ কতটা রক্ষিত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।












Discussion about this post