‘র’এর আধিকারিকরা নাকি ভুয়ো নাম, পরিচয় নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। বাংলাদেশে প্রবেশ করে সেখানকার তৃণমূল স্তরের রাজনীতিকে বদলানোর চেষ্টা করছেন। তারা তৃণমূল স্তরের রাজনীতি নিয়ে রিসার্চ করছেন, বিশ্লেষণ করছেন। পাশাপাশি মোহাম্মদ ইউনূসের কার্যকলাপের উপর নজর রাখছেন। আর এই খবর প্রকাশিত হয়েছে আলজাজিরা তে। যা নিয়ে তুমুল হইচই কাণ্ড। এমনকি ভয়ে কাঁপছে বাংলাদেশ।
‘র’ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। গত ছয় মাস ধরে এই অভিযান চলছে। ২০২৪ এ ৬ নভেম্বর ঢাকায় আসেন দুই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তারা বাংলাদেশের দুই গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করছেন। এমনকি আলজাজিরা দাবি করছে, কিছুদিন আগেই যে র এর কর্তারা গিয়েছিল বাংলাদেশে, তারা এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে গিয়েছিল। আর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই নানা জল্পনা তৈরি হচ্ছে।
আসলে বাংলাদেশে চলছে চরম নৈরাজ্য। খুন,
, ডাকাতি ঘটেই চলেছে। এমনকি ধর্ষনের ঘটনা অহরহ ঘটছে ইউনূসের দেশে। এদিকে এই সমস্ত ঘটনার রাশ টানছেন না মোহাম্মদ ইউনূস।
পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে ২৫ তারিখ দেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে পুরো বিষয়টি ব্রিফ করেন। জানা যাচ্ছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী একটি বাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় কয়েকজন ডাকাত। সেইদিন বেলা ২ তে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র ও ছাত্র দলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সেই আন্দোলনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও। চলে বিক্ষোভ, স্লোগান। পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এই ঘটনাগুলি এমন জায়গায় পৌঁছেছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো খবর করতে থাকে। ফলে নিন্দার ঝড় উঠছে বিভিন্ন মহলে।
বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে চলে যেতেই অপরাধ বেড়েছে পদ্মপাড়ের দেশে। চুরি, খুন, ডাকাতি, অপরাধমূলক কার্য বেড়ে চলেছে। এর মধ্যে হুশিয়ারি দিলেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান। পুলিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে খুন হয়েছে ২৯৪ খুন, চুরি ১৭১, ডাকাতি হয়েছে ৭১ এবং অপহরণের ঘটনা ১০৫। শুধু তাই নয়, নারী নির্যাতন হয়েছে ১ হাজার ৪৪০টি। যেখানে তথ্য বলছে ২০২৪ সালে জানুয়ারিতে ২৩১টি খুন, ১৪১টি চুরি, ২৯ টি ডাকাতি এবং অপহরনের ঘটনা ৪৩টি। নারী নির্যাতন হয়েছিল ১ হাজার ৪৩ টি।
বাংলাদেশের পরিস্থিতি যত দিন যাচ্ছে, তত জটিল হয়ে যাচ্ছে। আর এই উত্তাপ পরিস্থিতি শুধু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নয়, মুখ খুলেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান।
তিনি পরপর দুটি অনুষ্ঠানে মুখ খুললেন। তিনি কার্যত হুশিয়ারি দিলেন বাংলাদেশের তদারকি সরকারকে। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সেনা প্রধান বলছেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হচ্ছে।












Discussion about this post