ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার মসনদে পাকাপাকিভাবে বসার পর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। তারপরই দেখা গিয়েছিল, মোহাম্মদ ইউনূসের গলায় সুর নরম। তিনি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন, ভারতের অর্থনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধি হলে, বাংলাদেশেরও ভালো হবে। এমনকি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য করার কথা উল্লেখ করেছিলেন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস।
কিছুদিন আগে ভারত সফর করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা মহাপরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন। তারপরই ভারতের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তুলসী বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটে। সেখানকার সংখ্যালঘুরা অত্যাচারিত হচ্ছেন। তিনি খবর পেয়েছেন, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে পদ্মাপাড়ে। যদিও তুলসীর এই বক্তব্য মানতে নারাজ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। তারা তড়িঘড়ি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে এবং জানায়, তুলসীকে ভুল তথ্য দিয়েছে ভারত।
তবে সে যাই হোক, কিছুদিন পর দেখা যায়, ভারতকে হাতে রাখতে ইউনূস চীন সফরে যাওয়ার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে চান। অর্থাৎ বাংলাদেশ এই মুহূর্তে যে জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাতে মনে করা হচ্ছে, কোনও একটা ইন্ধনে ভারতকে চটাচ্ছে, আবার তারাই বিপদ বুঝে ভারতের প্রতি সুর নরম করছে।
তবে বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সচেষ্ট আওয়ামী লীগ নেতারা। তারা হাসিনার কথা মত একের পর এক সক্রিয় কর্মসূচি পালন করছেন বাংলাদেশে। পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্দরে একাধিক মঞ্চ থেকে ফেরার
বার্তা দিচ্ছেন শেখ হাসিনার। এছাড়াও শেখ হাসিনার ছেলে ওয়াজেদ জয়ও একাধিক বার্তা দিচ্ছেন যাতে তাদের দলের নেতারা মনোবল পায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একাধিক বার্তা দিয়েছেন। তাড়াতাড়ি সম্ভব বাংলাদেশে স্থিতিশীল জায়গায় ফেরাতে প্রত্যেকেই উদ্যোগী। এখন দেখার, শেষমেশ কি পরিস্থিতি হয় বাংলাদেশে।












Discussion about this post