চলতি বছরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনটাই মন্তব্য করেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস। জানা যায়, যমুনা ভবনে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ইউনুস এমন মন্তব্য করেন। তবে কি ইউনুস যুদ্ধের আশঙ্কা করছেন? আর যদি যুদ্ধ হয়, তবে কার সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে?
যমুনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা। আর সেখানেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জোরদার কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এই বছরটা খুব সন্তর্পনে পা ফেলতে হবে সরকারের সঙ্গে বা দেশের সঙ্গে জড়িত সমস্ত কর্মকর্তাদের। কিন্তু কিসের ভয় পাচ্ছেন ইউনুস?
উল্লেখযোগ্য ভাবে, ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত ঠাসা কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। সেই কর্মসূচি পালন হচ্ছে। জনসংযোগ দিয়ে শুরু, হরতাল দিয়ে শেষ হবে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি। প্রথম দিকে, তাদের এই কর্মসূচিতে বাধা আসছিল, তবে দিন গড়াতেই তেমন কোনও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে না। যদিও হাসিনা আগে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, যদি তাদের এই কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয় তবে দলের পক্ষ থেকে গোটা দেশজুড়ে বড় কোন পদক্ষেপ করা হবে। এখান থেকেই কি ইউনুস বুঝে গেছেন, আওয়ামী লীগ জল মাপার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ জুড়ে। সেই পথ ধরেই বাংলাদেশে হাসিনার প্রত্যাবর্তন পাকা করে ফেলছে তারা?
অন্যদিকে বিএনপি ফেব্রুয়ারিতেই একাধিক কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিএনপিও মোঃ ইউনুছের তদারকি সরকারকে চাপ সৃষ্টি করছে নির্বাচনের জন্য। এদিক থেকেও বিএনপি’র সমর্থন হারিয়েছে তদারকি সরকার। তা নিয়েও কি আশঙ্কায় ভুগছেন ইউনুস?
অর্থাৎ আন্তর্জাতিক স্তরে নয়, কোনও দেশের সঙ্গে নয়, গৃহযুদ্ধের কথাই ভাবছেন মোহাম্মদ ইউনুস। পরিস্থিতি বাইরে চলে গিয়েছে বুঝে গিয়েছেন দেশের প্রধান। তাই আগাম সতর্ক থাকার কথা বলছেন তিনি। ইউনূস যে সরকার চালাতে ব্যর্থ তা প্রতিমুহূর্তে প্রমাণিত হচ্ছে। দেশের সাধারণ জনগণ ভরসা করে দেশের ভার যার হাতে তুলে দিয়েছিল, কিংকরপন্থী মৌলবাদীদের রাস্তা তৈরি করে দিচ্ছেন দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার জন্য। এতে সব থেকে বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন দেশের সাধারণ জনগণ। সাধারণ মানুষ তাই মুখ ফেরাতে শুরু করেছে মোহাম্মদ ইউনূসের থেকে। যত দ্রুত সম্ভব, বিকল্প সরকার ক্ষমতায় আসার কথা জানাচ্ছেন। তাই দিকে দিকে ইউনুস বিরোধী স্লোগান উঠছে।











Discussion about this post