তিনি হয়তো সব বলেননি, এখনও অনেক জানানোর বাকি। তিনি হয়তো মবের বিষ ধিরে ধিরে পান করেও, নিজেকে সংবিধানের শেষ রক্ষাকর্তা হিসাবে বাঁচিয়ে রেথেছিলেন, যাতে তিনি বলতে পারেন দেশের সঙ্গে কি করা হয়েছে পাকি রাজাকারদের দ্বারা। তিনি হলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু। যার একটি সাখ্যাৎকারের ফলে শুধু ইউনূসই নন, চাপে পড়ে গেল বিএনপিও। মহম্মদ ইউনূস যে অন্যায়গুলি দেশের সঙ্গে, সংবিধানের সঙ্গে এবং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে করেছে, সেগুলি বিচার না করে যদি তাকে সম্মান দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি করে দেওয়া হয়, তাহলে এটা প্রমান হয়ে যাবে যে বিএনপির সঙ্গে ইউনূসের বোঝাপড়া হয়ে গেছে। ফলে যারা ভাবছিলেন লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে ইউনূসের গোপন চুক্তি হয়ে গেছে, যে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন আর ইউনূস রাষ্ট্রপতি হবেন, তাদের আবার নতুন করে ভাবতে হবে। তার কারণ হলেন বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি শাহবুদ্দিন চুপ্পু। শুধু তাকেই চরম অপমান অত্যাচার করা হয়েছে এমন নয়, তার পরিবারকেও জিম্মি করা হয়েছিল, যাতে তাকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে অথবা চাপ দিয়ে রাজাকার বাহীনির স্বার্থ সিদ্ধি করা যায়। যেদিন রাষ্ট্রপতি চুপ্পু বলেছিলেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন পদত্যাগ পত্র তার কাছে নেই। সে দিন থেকেই তার উপর শুরু হয় অপমান এবং অত্যাচার। যাতে তিনি ভেঙে পড়েন এবং নিজেই সরে যান। এখানেই শেষ নয়। তিনি যখন সরছেন এবং নিজের ক্ষমতা যেখানে যতটুকু দেখানোর সুযোগ আছে, তা দেখিয়ে যাচ্ছেন। ফলে মুক্তমঞ্চের মত বিভিন্ন মঞ্চের লোকেদের ভাঁড়া করে এনে রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনে মব সৃষ্টির চক্রান্ত শুরু হয়। লক্ষ্য হল বঙ্গভবন লুঠ করে রাষ্ট্রপতিকে রাস্তায় নিয়ে এসে বিচারের নামে ফাঁসি দেওয়া। অথবা নির্মমভাবে হত্যা করা। তবে এগুলি মোটামুটি আমরা সবাই জানি। এছাড়া বহুবার রাষ্ট্রপতিকে অপসারনের চেষ্টা হয়েছে এবং সেনাবাহীনির তিন প্রধান বার বার রাষ্ট্রপতিকে বলে এসেছেন যে তার পরাজয় মানে তিন বাহীনির পরাজয়, তাই তারা যে কোন মূল্যে এই অসাংবিধান কাজটি হতে দেবেন না। এবং সেটি তিন বাহীনির প্রধান যমুনায় গিয়ে ইউনূসকেও বলে এসেছিলেন। ফলে ইউনূস সবদলগুলিকে তাদের মতামত জানাতে বলেন, যদি সবদল রাজি হয় তাহলে রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দিয়ে সাংবিধানিক শূ্ন্যতা তৈরী করে, যা খুশি তাই করা যাবে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি জানিয়ে দিলেন বিএনপি এবং বিএনপির সর্বোচ্চ নেতা তারেক রহমান কিভাবে রাষ্ট্রপতিকে সাহস দিয়ে গিয়েছেন। বিএনপি বার রাষ্ট্রপতিকে সমর্থন করে এসেছে, এবং তারা কখনই চায়নি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরী হোক। বিএনপির সমর্থন এবং সাহস পাওয়ার পর, রাষ্ট্রপতি তার পদ থেকে সরে না গিয়ে বলেন যে তিনি নির্বাচন পর্যন্ত থাকবেন, নির্বাচনের পর পদত্যাগ করবেন। বিএনপির কথা বলতে গিয়ে তিনি তারেক রহমানের উচ্ছ্বশিত প্রসংশা করেন। তিনি বলেন সেই দুঃসময়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব যেমন তাকে জানিয়েছিল তারা কখনও সংবিধানের ধারাবাহিকতাকে ক্ষুন্ন হতে দেবেন না। তেমনই সাহস পেয়েছেন তারেক রহমানের থেকে। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঘিরে রাষ্ট্রপতির কৌতুহল ছিল। কিন্তু ধাপে ধাপে তিনি বুঝতে পারেন তারেক রহমান একজন আন্তরিকতা পূর্ণ মানুষ। তিনি সব সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যোগাযোগ রেথেছিলেন। এবং সব রকমভাবে পাশে থাকার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু এই সাখ্যাৎকারে ইউনূসকে তিনি সংবিধান লংঘের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। রাষ্ট্রপতি এবং দেশের বিরুদ্ধে ইউনূসের যে আচরণ তা রাষ্ট্রদ্রোহের সামিল। ফলে এখন কি তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেবেন যে সংবিধানকে নষ্ট করে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টির জন্য ইউনূসের বিচার করা উচিৎ। যারা জোর করে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে বিভিন্ন দস্তাবেজে সই করতে বাধ্য করেছেন। বিদেশে রাষ্ট্রপতির নামে মিথ্যে ছড়িয়েছেন। ইউনূস বাহীনির গোপন রহস্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর, এখন দেখার বিএনপি কি করে।












Discussion about this post