তুলসি গ্যাবার্ড ভারত সফর করেছেন। বৈঠক হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, এবং সব থেকে বেশি চর্চিত বৈঠক ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে। কিন্তু খবর উঠে এসেছিল, গোপনে শেখ হাসিনার সঙ্গে নাকি বৈঠক হয়েছে তুলসির? কিন্তু সেই খবর কি আদৌ সঠিক? সত্যি কি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ করলেন তুলসীর সঙ্গে? আর যদি সাক্ষাৎকার হয়, তবে দুজনের মধ্যে কি কথা হল,? এমন নানা বিষয় জল্পনা ছড়িয়েছে।
সঠিক তথ্য না পাওয়া গেলেও, শেখ হাসিনার সঙ্গে তুলসীর সাক্ষাৎ হয়েছে। এমনকি সেখানে অজিত ডোভাল এবং ‘র’ এর ডিরেক্টর রবি সিনহা। সেখানে আলোচনা হয় সম্পূর্ণ কূটনৈতিক এবং দু দেশের সঙ্গে সম্পর্ক কিভাবে তৈরি হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রসঙ্গত, ভারত সফর করেছেন তুলসি গ্যাবার্ড। ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেই বৈঠকের নির্যাস সামনে আসেনি। তবে তবে অনুমান করা হচ্ছে, দুই দেশের নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রসঙ্গ উঠেছে বলে অনুমান করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বৈঠকের পর তুলসি বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা জঙ্গি সংগঠন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তুলসী বলেছেন, বাংলাদেশে ক্রমশ উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের খিলাফত গড়ার ডাক দিচ্ছে বেশ কিছু সংগঠন। এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তুলসী বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। যতদিন এগোচ্ছে বাংলাদেশে উদ্বেগ জনক খবর ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। তুলসি গ্যবর্দ সরাসরি বাংলাদেশকে জঙ্গি বিষয় নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, এরপর যদি বাংলাদেশ সতর্ক না হয়, তবে আমেরিকা কড়া পদক্ষেপ করবে। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠক থেকে ঠিক হয়ে গেল আগামী চার বছরের জন্য আমেরিকা ও ভারতের গুরুত্বের বিষয়টি।
তবে গোপনীয়তার সঙ্গে প্রথম বৈঠক হল অজিত ডভালের সঙ্গে তুলসি গ্যবাদের। এমনকি জানা গিয়েছে, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও একটি বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ভারত ও আমেরিকার বিভিন্ন অস্ত্র চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। তবে সবথেকে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তুলসি গ্যাবার্ড এবং অজিত দোভালের বৈঠক। সূত্র বলছে, এই বৈঠক থেকে ভারত আমেরিকার কৌশলগত বোঝাপড়া করা হয়েছে। পিটিআই একটি প্রতিবেদনে সূত্র কে উদ্ধিত করে বলেছেন, এই বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে।
Discussion about this post