পদ্মাপারে পরতে পরতে রহস্য, রোমাঞ্চ। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, সেই রহস্য এবং রোমাঞ্চ আরও ঘনীভূত হচ্ছে। চলতি মাসের ১২ তারিখ সেখানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের দিন গণভোট করাতে চাইছে তদারকি সরকার প্রধান। তা নিয়ে আবার তৈরি হয়েছে দ্বিমত। এখন একটাই প্রশ্ন ঘোরাঘুরি করছে – কবে স্থিতিশীল হবে বাংলাদেশ? সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা আবার জানিয়েছেন, বাংলাদেশে যে কোনও মূল্যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে তিনি বদ্ধপরিকর। আদৌ তিনি সেটা করতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
এদিকে আবার চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়েছে। সেই ঘনিষ্ঠতার জেরে তারা বাংলাদেশে ড্রোন তৈরির কারখানা স্থাপন করবে। গত ২৭ জানুয়ারি জি টু জি – (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) পর্যায়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা ‘চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ কর্পোরেশন (সিইটিসি) ইন্টারন্যাশনানের’ সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। চুক্তি সই হয়েছে ঢাকা সেনানিবাসে বিমানবাহিনীর সদর দফতরে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরী হাফিজ আহমেদ চৌধুরী। এছাড়াও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সিইটিসি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও সিইটিসি ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে বাংলাদেশে একটি অত্যাধুনিক ইউএভি বা ড্রোন উৎপাদনওসংযোজনকারখানাস্থাপনকরবে।এই বৈঠকে নিয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্প দক্ষতা উন্নয়ন ও যৌথ কারিগরি সহযোগিতা। এসব পদক্ষেপ ড্রোন উৎপাদনেদীর্ঘমেয়াদিস্বনির্ভরতাঅর্জনেসহায়তাকরবে।এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন ধরনের মিডিয়াম অল্টিটিউড লো এনডুরেন্স ও ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং ক্যাটাগরির ড্রোন তৈরি ও সংযোজনের সক্ষমতা অর্জন করবে।
বিমান বাহিনী প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন ধরনের মাঝারি উচ্চতা, কম সহনশীলতার ইউএভি এবং ‘ভার্টিক্যাল টেইক অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং’ (রানওয়ে ছাড়া সরাসরি উড্ডয়ন ও অবতরণ) ইউএভি উৎপাদনওসংযোজনেরসক্ষমতাঅর্জনকরবে।এছাড়া বিমান বাহিনী তাদের নিজস্ব ইউএভি এই প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদনকরবে।এইইউএভিগুলোসামরিককর্মকান্ডেরপাশাপাশিমানবিকসহায়তাওদূর্যোগব্যবস্থাপনায়উল্লেখযোগ্যভূমিকারাখবে।আইএসপিআর বলছে, এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে, দেশীয় ইউএভি উৎপাদনেপূর্ণস্বনির্ভরতাঅর্জনেরলক্ষ্যেসক্ষমতাসম্প্রসারিতহবে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।
এদিকে, আমেরিকা আবার জামাতের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এই বৈঠক নিয়েও কম কৌতুহল তৈরি হয়নি। বৈঠকের খবর প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। এ বিষয়ে মার্কিন কূটনীতিকদের একটি রেকর্ডের তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট জামায়াতেরসঙ্গেযুক্তরাষ্ট্রেরকূটনীতিকদেরযোগাযোগবাড়ানোওসম্পর্কউন্নয়নেরকথাবলেছে।ক্ষমতায় যেতে পারলে জামায়াত যদি বাংলাদেশে শরিয়াহভিত্তিক কিছু চাপিয়ে দেয় কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দ নয় এমন কোনও পদক্ষেপ নেয় তাহলে দেশটি কী ব্যবস্থা নেবে সেসবও কূটনীতিকরা ভেবে রেখেছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওয়াশিংটন পোস্টের এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।ঢাকার মহিলা সাংবাদিকদের সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিকদের এক বৈঠকের তথ্যে এ খবর দেয় ওয়াশিংটন পোস্ট। গত ১ ডিসেম্বর হওয়া গোপন সেই বৈঠকের অডিও হাতে পাওয়ার কথা লিখেছে সংবাদমাধ্যমটি।
একদিকে জামাতের সঙ্গে আমেরিকার ঘনিষ্ঠতা, অপর দিকে আমেরিকা আবার বাংলাদেশে বসবাসবাকারী বা ভ্রমণরতদের জন্য দিয়েছে বিশেষ পরামর্শ। ফলে সব মিলিয়ে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে রহস্য সেই সঙ্গে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more












Discussion about this post