সীমান্ত বিএসএফের তৎপরতায় নাজেহাল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে বারংবার পরাজিত হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ভারতের তরফে বাংলাদেশ এর প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুসকে বারংবার অনুপ্রবেশকারী ইসুতে অনুরোধ করা হলেও এই বিষয়টিতে কর্ণপাত করেননি তিনি। এমনকি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ইউনূসের দাবি, অনুপ্রবেশকারী বিষয়টির কোন অস্তিত্বই নেই সবটাই ভারতীয় মিডিয়ার গুজব। ফলে এই পরিস্থিতিতে ভারত পুশ ইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশী অবৈধ নাগরিকদের নিজে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে।এবার সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের খুঁজে বার করতে বিএসএফের পাশাপাশি আসরে নামতে দেখা গেল ভারতীয় বায়ুসেনা কে।
ভারতে অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকদের বিরুদ্ধে ভারতের যে পুশ ইন প্রক্রিয়া তা কড়া হাতে অব্যহত রেখেছে ভারত সরকার। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন ও নির্যাতনের পরিপূরক বলে দাবি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তাতেও ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশীদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে থেমে থাকেনি ভারত। সম্প্রতি গুজরাটে বসবাসকারী প্রায় ২৫০ জন বাংলাদেশিকে ৩ জুলাই একটি বিশেষ ফৌজবিমানে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এই অবৈধ অভিবাসীদের বিমানে তুলে নেওয়া হয়েছিল এবং তাদের হাত দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে জানা গেছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ভাদোদরা বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে একটি বিশেষ বিমানের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছিল সরাসরি ঢাকা বিমান বন্দরে। বিমানবন্দরে নেওয়া হয়েছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাতকড়া পরা বাংলাদেশি নাগরিকদের ছবি ভাইরাল হওয়াতে প্রশ্ন উঠছে কেন তাদের হাত বেঁধে রাখা হয়েছে? এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে জানা গিয়েছে ট্রানজিটের সময় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তাদের হাতকড়া পরানো হয়েছিল।
এই আবহেই আরও একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে পাকিস্তানি আই এস আই বিভিন্ন জায়গায় সক্রিয় হয়ে উঠছে। তাদের নেটওয়ার্ক কাজ করছে। ধর্মীয় ভাবাবেগকে উস্কে দিয়ে ভারত,বাংলা ও বিস্তীর্ণ রাজ্যকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে তারা। যে গুলি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে আলোচনা অব্যহত। এই আবহে সম্প্রতি পুশব্যাক নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশনস ডিরেক্টরেটের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, ‘পুশ-ইন আমরা লক্ষ্য করছি। এটা কোনও ভাবেই কাম্য নয়। এমনটা হতে থাকবে আর আমরা বসে থাকব, এটা ভাবারও কোনও কারণ নেই। বিজিবি এটা নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী কাজ করছে এবং সরকারও এ বিষয়ে অবগত।
সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন আছে এমনটা মনে হলে সরকারের নির্দেশে অবশ্যই সেনা বাহিনী সেটাতে যাবে।
কিন্তু এখন যদি বিজিবি ভারতের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়, তবে সবার আগে বাংলাদেশের তরফে মেনে নিতে হবে যে একাধিক বাংলাদেশের নাগরিক ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছে, যার ফলে ভারত পুশ ইন প্রক্রিয়া শুরু করেছে।











Discussion about this post