সামনেই রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা-৪ আসনে নতুন প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এনসিপি-র প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লার প্রতিদ্বন্দিতার সময় নতুন প্রার্থী বিএনপি। অন্যদিকে , দলটির মনোনীত প্রার্থী মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, ঋণখেলাপি তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী সমস্যায় পড়বে। আর এই গোটা বিষয়ে আদালত পর্যন্ত জল গড়ায়। আদালত অবধি জল গড়ালেও এখনও পর্যন্ত প্রার্থী ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির নেতা কর্মীরা তারা ভাবছেন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রার্থী ফিরে আসতে পারে। এই মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় হাসনাত আবলদুল্লাহ রাজনৈতিক দিক থেকে যথেষ্ট অ্যাক্টিভ।
যদিও বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি অংশ এখনো আশা করছেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে পারেন। এ বিষয়ে আগামী সোমবার আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এই আসনে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের নেতা জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে জসিমউদ্দিন ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। এর আগে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরও গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পাশাপাশি নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটের সিদ্ধান্তে জসিমউদ্দিনকেই প্রার্থী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সী ও এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর মধ্যে প্রকাশ্য কথার লড়াই চলছিল। ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর ঋণ খেলাপির দায়ে মনোনয়ন বাতিলের ঘটনায় সেই দ্বন্দ্ব নতুন মোড় নেয়।
এই আসনে বর্তমানে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ মোট পাঁচজন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় কুমিল্লা–৪ আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।












Discussion about this post