ক্রিকেট এখন রাজনীতির আঙিনায়। ক্রিকেট নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। চলছে টেবিল টু টেবিল বৈঠক। একের পর এক বৈঠক হচ্ছে ক্রিকেটকে নিয়ে। কিন্তু একটা প্রশ্ন টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে কতবার হারাতে পেরেছে পাকিস্তান। মাত্র ১ বার হারাতে পেরেছে ভারতকে হারিয়েছে। মাঠের লড়াই এখন চলে এসেছে টেবিলে। মাঠে হারাতে না পারলেও টেবিল টু টেবিল যে লড়াই চলছে তাতে ভারতকে হারাতে মরিয়া পাকিস্তান। বাংলাদেশের সঙ্গে যে কাজ ICC করেছে তার প্রতিবাদ পাকিস্তানের। দরকার পরড়লে পাকিস্তান যখন তখন বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে। ইতিমধ্যেই চেয়ারম্যান নকভি আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত সময়ও নিয়ে নিয়েছেন। পাকিস্তান শুধু ভারতের বিপক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারী ম্যাচটা বয়কট করার চিন্তাভাবনা করছে।
পাকিস্তান অত্যন্ত বুদ্ধি করে ক্রিকেটের খেলার ছক সাজাচ্ছে। বিশ্বকাপের মাঝামাঝি সময় ১০ ফেব্রুয়ারি বা তার পরের দিন পাকিস্তানের তরফ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কারণ, বিশ্বকাপে পাকিস্তানের প্রথম দু’টি ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডস এবং ১০ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে। যদি প্রথম দুটি ম্যাচে পাকিস্তান জিতে সুপার এইটে ওঠে, তাহলে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচটি বয়কট করলেও করতে পারে। ভারতের সঙ্গে ম্যাচ ১৫ ফেব্রুয়ারি হওয়ার কথা। ১০ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ম্যাচের পর পাকিস্তান জানিয়ে দিতে পারে যে, তারা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না। সূত্রের তরফে জানা যাচ্ছে, ‘‘পাকিস্তান যদি প্রথম দুটো ম্যাচেই জিতে যায়, তা হলে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই রয়েছে।পিসিবি বিশ্বকাপ চলাকালীন তাদের প্রতিবাদের ব্যাপারে আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
পাকিস্তান নিজেদের ক্ষতি না করে বাংলাদেশের পক্ষে তারা এরকম ভাবেই প্রতিবাদ জানাতে চায়। কিনতু বয়কটের সিদান্ত এখনই তারা জানাতে চান না। যদি পাকিস্তান এখনই বয়কটের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় তাহলে আইসিসি অন্যরকম স্টেপ নিলেও নিতে পারে। অন্যদিকে, এক প্রতিবেদনের তরফ থেকে জানা যাচ্ছে, ভারতের বিপক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারী ম্যাচ টা পাকিস্তানের তরফ থেকে বয়কট করা ওতটাও সহজ নয়। কারণ, কী বলুন তো,,,,, কারণ তাহলে ICC না প্রথম ব্রডকাস্টরাই আদালত পর্যন্ত জেতে পারে। অন্যদিকে, পাকিস্তান, PARTICIPATION AGREEMENT নামে একটি চুক্তিতে তারা সই করে ফেঁসে গেছে। যদি সেটা ভঙ্গ করে পাকিস্তান তাহলে তারা আবারও ফেসে যেতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তান কেন বাংলাদেশকে এমন সাহায্য করছে যেখানে পাকিস্তানের নিজেরই ক্ষতি হবে। বিশেষ করে ক্রিকেটের জন্য় ক্ষতি হয়ে উঠতে পারে। তবুও পাকিস্তানের এমন চিন্তাভাবনা কেন তা জানা যায়, এটা চেয়ারম্যান মহসিন নকভির সম্পূর্ণ একার ইচ্ছা। রহমানকে যখন IPL থেকে বাদ দেওয়া হল তখন একাই তিনি বলেছিলেন, এবার বাংলাদেশের জন্য কিছু করা দরকার। প্রসঙ্গত, ICC টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া ক্ষুদ্ধ পাকিস্তান। এই পরিস্থতিতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পাশে দাড়িয়েছে পাকিস্তান। এখন দেখার পাকিস্তান কতদূর এগোতে পারে, তাতে বাংলাদেশের আদৌ কোনও লাভ হয় কিনা।












Discussion about this post