সেভেন সিস্টার্স নিয়ে বারবার মন্তব্য। কখনও হুমকি, হুশিয়ারি আবার কখনও নিজের দেশকে বিশ্ব দরবারে বড় করতে গিয়ে মন্তব্য। আসলে কথা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে। তিনি সদ্য চীন সফর করেছেন। আর সেখানে গিয়ে যে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, সেটার রেশ এখনও কাটেনি। এইবার তৎপর হল ভারত।
ভারতের ভৌগোলিক দিক থেকে চিকেন নেক একটি স্পর্শকাতর এলাকা। এইবার ভারতও চুপকরে বসে নেই। S 400 ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কি রকম, চলুন জানার চেষ্টা করি।
আসলে বারবার ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে মন্তব্য করা, যেটা মোটেই ভালো চোখে নেয়নি ভারত। চিকেন নেকের নিকটবর্তী এলাকায় প্রচুর অস্ত্র মজুত করেছে ভারত। হাসিমারা বিমান ঘাঁটিতে রাফায়েল যুদ্ধ বিমান রাখা হয়েছে। এমনকি চিকেন নেকের বিভিন্ন জায়গায় উন্নত পরিমাণে বহু যুদ্ধ অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। অর্থের চিকেন নেক নিয়ে যে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ, সেটা সিরিয়াসলি নিয়েছে ভারত।
ভারতকে আক্রমণ করা হচ্ছে, আবার একইসঙ্গে ভারতের সঙ্গে বৈঠকে বসার বারংবার আবেদন করেছিলেন ইউনূস। যদিও বৈঠকে বসতে রাজি না হয়ে ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের স্থান ভারতের কাছে কোন জায়গায়।
আসলে যত দিন যাচ্ছে, ইউনূস বুঝতে পারছেন, ভারতের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে না। এমনকি ভারতকে শত্রু মনে করতেই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের একে একে সমস্ত দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আদতে ক্ষতি হচ্ছে দেশের। যদিও তিনি দেশের ক্ষতির কথা আদেও কতটা ভাবেন, সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কিন্তু তার জমানা বা তার আমলের বদনাম হচ্ছে। এমনটাই মনে করছেন মোহাম্মদ ইউনূস। তাই তিনি নড়েচড়ে বসছেন। এদিকে ভারতও তাদের যে পাত্তা দিচ্ছে না, সেটাও পরিষ্কার। কারণ চীন সফর করার আগে নোবেল জয়ী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ভারত গুরুত্ব দেয়নি। এরমধ্যে দিয়ে ভারত বোঝাতে চেয়েছে, বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারকে মানে না ভারত। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।












Discussion about this post