ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে বারেবারে মন্তব্য, যেটা মোটেই ভালোভাবে নিচ্ছে না ভারত। কাজেই শিলিগুড়ি করিডোরকে নিরাপত্তা দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। খবর পাওয়া যাচ্ছে, যথেষ্ট তৎপর ভারত। তবে কি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ভারত সরকার? এই প্রশ্নটাই উঠছে, তার কারণ রনসজ্জায় সজ্জিত ভারত। খবর উঠে আসছে, S 400 ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রচুর পরিমানে অস্ত্র মজুত করা হয়েছে।
আসলে ভারতের ভৌগোলিক দিক থেকে চিকেন নেক একটি স্পর্শকাতর এলাকা। এইবার ভারতও চুপকরে বসে নেই। S 400 ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কী রকম, চলুন জানার চেষ্টা করি।
আসলে বারবার ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে মন্তব্য করা, যেটা মোটেই ভালো চোখে নেয়নি ভারত। চিকেন নেকের নিকটবর্তী এলাকায় প্রচুর অস্ত্র মজুত করেছে ভারত। হাসিমারা বিমান ঘাঁটিতে রাফায়েল যুদ্ধ বিমান রাখা হয়েছে। এমনকি চিকেন নেকের বিভিন্ন জায়গায় উন্নত পরিমাণে বহু যুদ্ধ অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। অর্থের চিকেন নেক নিয়ে যে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ, সেটা সিরিয়াসলি নিয়েছে ভারত।
ভারতকে আক্রমণ করা হচ্ছে, আবার একইসঙ্গে ভারতের সঙ্গে বৈঠকে বসার বারংবার আবেদন করেছিলেন ইউনূস। যদিও বৈঠকে বসতে রাজি না হয়ে ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের স্থান ভারতের কাছে কোন জায়গায়।
আসলে যত দিন যাচ্ছে, ইউনূস বুঝতে পারছেন, ভারতের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে না। এমনকি ভারতকে শত্রু মনে করতেই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের একে একে সমস্ত দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আদতে ক্ষতি হচ্ছে দেশের। যদিও তিনি দেশের ক্ষতির কথা আদেও কতটা ভাবেন, সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কিন্তু তার জমানা বা তার আমলের বদনাম হচ্ছে। এমনটাই মনে করছেন মোহাম্মদ ইউনূস।
তবে সে যাই হোক, শিলিগুড়ি করিডোরে হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে ভারত। প্রতিনিয়ত নজরদারি চলছে। এখন দেখার, সত্যিই আসলে যুদ্ধের দিকে পা বাড়ায় কিনা ভারত।












Discussion about this post