ছাত্রদের জুলাই বিপ্লবের সবথেকে বড় সুবিধাবাদী কে? ক্ষমতার সুবিধাভোগী পাশাপাশি কার পকেটে ঢুকলো টাকা? ক্ষমতার পাশাপাশি টাকার অঙ্ক-এর প্রসঙ্গ উঠে আসছে। কারণ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে বিপুল পরিমাণে অর্থ যোগান এসেছিল বিদেশ থেকে। সেই টাকার বিপুল পরিমাণ গেল কোথায়? ২০২৪ এর ৫ই অগাষ্ট শেখ হাসিনার পতন হয়েছে। অনেকে বলছে এটা সাজানো গণঅভ্যুত্থান। আসলে এই অভ্যুত্থানে খরচ হওয়া বিপুল পরিমাণের অর্থ বিদেশ থেকে এসেছে। কাজেই সেই টাকার বিপুল অর্থ কোথায় গেল, সেই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে আসছে।
এর পাশাপাশি ক্ষমতার অলিন্দে বসে থাকা উপদেষ্টা মন্ডলীরা এখন যেভাবে ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করছে, সেটা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশে। যারা গণঅভ্যুত্থানে যোগ দিয়েছিল, অথচ তারা সরকারের কোও পদই পাননি, পরে তারা সরকারের অন্দরে বসে থাকা পদাধিকারীদের নানা দুর্নীতি ফাস করে। যা সাক্ষী থাকে বাংলাদেশের বহু গণমাধ্যম। এমনকি এপার বাংলাতেও সেই নিয়ে খবর হয়। অর্থাৎ যে ছাত্ররা আওয়ামী লীগ বা হাসিনা সরকারের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাকে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে দিল, সেই ছাত্ররা ক্ষমতায় বসে একই কাজ করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। আর তাদের দিকে আঙ্গুল তোলাতে জেলবন্দি করা বা তাদের উপর অত্যাচার করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ঠিক একই অভিযোগ করেছিল এই ছাত্ররা, শেখ হাসিনার জমানার বিরোধিতা করে।
অর্থাৎ ক্ষমতা পাল্টালো, সিংহাসন বদলালো, কিন্তু বাংলাদেশ রয়ে গেল বাংলাদেশেই। বাংলাদেশের বহু গণমাধ্যম এবং ইউটিউবাররা যখন সেখানকার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে একের পর এক খবর করছেন, বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে তাদের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা হচ্ছে। এমনটা অভিযোগ উঠে আসছে বাংলাদেশের অন্দর থেকে। আর এই সমস্ত কিছু দেখেও না দেখার ভান করছেন নোবেল জয়ী। মদত দিচ্ছেন তিনি। এমনকি কিছুদিন আগে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা হওয়া ছাত্রদের রাজনৈতিক দল ইউনূসের মদতে হয়েছে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন এই সমস্ত পর করে পদ্মাপাড়ের পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।
Discussion about this post