বাংলাদেশে নির্বাচন কবে হবে সেই নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার এই মুহূর্তে অত্যন্ত প্রয়োজন। সেই আবহে নির্বাচনের কথা তুলছেন না অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহম্মদ ইউনূস। এদিকে বিএনপির মতো দেশের রাজনৈতিক দলগুলো চাপ সৃষ্টি করতে নির্বাচন নিয়ে। চাপে পড়ে ভাঙা ভাঙা কয়েকটি মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে প্রধান উপদেষ্টাকে। তারমধ্যে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানও চান নির্বাচন করতে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন করিয়ে সরকার আনার কথা বহু সাক্ষাৎকারে বলেছেন ওয়াকার উজ জামান। তবে এইবার কি নির্বাচন নিয়ে ভাববেন নোবেল জয়ী?
এই মুহূর্তে চীনে রয়েছেন বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহম্মদ ইউনূস। তিস্তা মহাপ্রকল্পের রূপায়ণ করতে তিনি নাকি চীনে গিয়েছেন বলে খবর। তার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার আবদার করেছিলেন ইউনূস। কিন্তু ভারত সেটা কর্ণপাতই করেনি। ফলে ভারতকে টপকে তিস্তা মহাপ্রকল্পের রূপায়ণ আদেও করতে পারে কিনা, সেই নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন রয়েছে।
তবে যে সময় প্রধান উপদেষ্টা চীন সফরে গেলেন, সেই সময়টা বাংলাদেশে টালমাটাল পরিস্থিতি। নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু না করে হঠাৎ চীন সফরে সন্ধিহান প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। অনেকে বলছেন, চীনের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেছেন ইউনূস। তিনি চীনের কাছে ঋণ নিতে সেখানে হাজির হয়েছেন। অন্যদিকে সেনাপ্রধান বিভিন্ন সাক্ষাৎকরে উল্লেখ করছেন, এবছর অর্থাৎ ২০২৫ এর ডিসেম্বরে নির্বাচন হলে ভালো হয়। তাতে দেশ আয়ত্তে ফিরবে। দেশে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
এদিকে নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি, এবি পার্টির মতো দলগুলি কোনও মতেই চাইছে না এখন নির্বাচন হোক। তারা সংশোধন চাইছে পূর্বের সরকারের আমলে থাকা বিভিন্ন দফতর। এমনকি সংবিধানেরও বদল চাইছে তারা। যতদিন তাদের দাবি পূরণ না হবে, নতুন করে সরকার এনে কি হবে? এমনই প্রশ্ন তুলছেন তারা। এখন নির্বাচন বিশবাও জলে। মহম্মদ ইউনূসও নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছিলেন। এই বছরের শেষ কিংবা পরের বছরে মাঝামাঝি সময়ে।
তবে সেনাপ্রধান চাইলে নির্বাচন হতে বাধ্য। তিনি এখন যেভাবে দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে বাংলাদেশের রাস্তায় সেনাবাহিনীকে নামিয়েছেন, যেখানে সেনাপ্রধান চাপ দিতে থাকলে, নতুন সরকার আসবে। বলছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ l এখন দেখার, সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান এই বিষয়ে কি পদক্ষেপ করেন।












Discussion about this post