যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে ভারতের। ইতিমধ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিন বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে দিয়েছে। তারা দেশের স্বার্থে যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তার মধ্যে ভারতের একাধিক পদক্ষেপ। চলছে মহড়া। উড়ে আসছে রাফল, সুখোই এর মতো যুদ্ধবিমান। কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনার পর এই মহড়া, অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আপদকালীন পরিস্থিতিতে কিভাবে যুদ্ধবিমান অবতরণ করা হবে, তারই প্রস্তুতি চলছে। পাকিস্তানকে জবাব দিতেই মরিয়া ভারত। শুক্রবার
ভারতীয় বিমান বাহিনী উত্তর প্রদেশের গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে একটি বিশেষ মহড়া চালায়। উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরে নির্মাণাধীন গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ৩.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এয়ারস্ট্রিপে উড্ডয়ন ও অবতরণ মহড়া পরিচালনা হয়। জানা যায়,
এই মহড়াযতে রাফাল, জাগুয়ার এবং মিরাজের যুদ্ধবিমান মহিরা দেয়। যুদ্ধক্ষেত্রে তারা কতটা শক্তিশালী সেটাই দেখা হয়।
কতটা সক্ষম সেটাই যাচাই করা হয় এই মহড়ার মাধ্যমে। জানা যায়, উত্তরপ্রদেশে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে এবং সমগ্র ভারতের মধ্যে প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে, যা রাত্রিকালীন অবতরণ ক্ষমতা সহ এয়ারস্ট্রিপ প্রদান করছে। এই অগ্রগতি ভারতীয় বিমান বাহিনীর চব্বিশ ঘণ্টা অপারেশন পরিচালনার ক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে এটি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিমান বাহিনীর জন্য একটি বিকল্প হিসাবে কাজ করবে। শুধু তাই নয় কিছুদিন আগেই গুজরাট উপকূলে নৌমহড়া চালিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী। অর্থাৎ প্রত্যাঘাতের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। এমনকি যে জায়গায় এই মহড়া চলছে, সেখান থেকে করাচি বেশি দূর নয়। মাত্র ৮৫ কিলোমিটার দূরত্বে এই শরটিকে লিড করতে পারে যায়। তারা প্রথমেই লাইফ ফায়ার মিসাইল এক্সারসাইজ করতে শুরু করেছে। মিসাইল ছড়া হবে, এবং দেখা হবে যুদ্ধক্ষেত্রে এগুলি কতটা সক্ষম এবং শক্তিশালী। জানা যাচ্ছে, এই মহড়াতে ডেস্ট্রয়ার শিপ, ব্রহ্মস এবং আরও কতগুলি বেশ গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র মহড়ায় অংশ নিয়েছে। এমনকি জানা যাচ্ছে এই মহড়াতে ছিল ফোর গ্রিন মেসেজ ছাড়া হয়েছে। এটি একটি সেকিউররিটি প্রটোকলের অংশ। আর এই সমস্ত কিছু পাকিস্তানকে বার্তা দেবার জন্য যে ভারত করছে, সেটা বুঝেছে পাকিস্তান। এদিকে পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করবে না বলে একের পর এক দেশের দ্বারস্থ হচ্ছে। তবে যেভাবে পর্যটকদের বেছে বেছে খুন করা হয়েছে, এবং বিভিন্নভাবে প্রমাণিত হয়েছে তারা পাকিস্তানি জঙ্গি, তাতে ছেড়ে দেবে না ভারত। এখন দেখার কড়া প্রত্যাঘাত কিভাবে আনে ভারত সরকার।












Discussion about this post