ভারতের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি স্থান চিকেন নেক। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী শিলিগুঁড়ি করিডোর পরিচিত চিকেন নেক হিসেবে। যেটি ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছে।এই চিকেন নেকের নিরাপত্তায় অনেক জোর দিয়ে থাকে ভারত।
আর এবার ভারতের চিকেন নেকের প্রসঙ্গ উঠে আসলো মোহাম্মদ ইউনুস এর বক্তব্যের মাধ্যমে।
বেশ কিছুদিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী দাবি করেছিলেন, ভারতের চিরশত্রু পাকিস্তানের কতিপয় সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নাকি এই চিকেন নেকের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। আর তাদের সেখানে নিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ।
ভারতীয় সেনাপ্রধান আরো বলেছিলেন, বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তান যেনো ভারতে সন্ত্রাসী না পাঠাতে পারে, সেটি একমাত্র চাওয়া তার। পাশাপাশি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বেশ ভালো সম্পর্ক আছে বলে জানান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে সেনাপ্রধান এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ইউনূসের শাসন শুরু হবার পর থেকেই সেনাপ্রধানের উপরই ভরসা করা রয়েছে বাংলাদেশের আমজনতা। কৌতুহল তৈরি হয় জনমানুষে, এখন বাংলাদেশে সেনাপ্রধান কোন অ্যাকশনে রয়েছেন? তার কার্যকলাপের গতি প্রকৃতি এখন কি? এই নিয়ে নানারকম প্রশ্ন উঠে আসছে। তারমধ্যে বাংলাদেশের অন্দরে চলছে নানা বিষয়। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান এই মুহূর্তে সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের রাস্তাতে নামিয়েছেন, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাদের। যেকোনও মুহূর্তে অ্যাকশন শুরু হয়ে যেতে পারে।
এর পাশাপাশি সম্প্রতি চীনে পৌঁছে, বাংলাদেশ সমুদ্র অঞ্চলের অভিভাবক বলে দাবি করেন মোহাম্মদ ইউনুস। চুলের বণিকদের বাংলাদেশের ডেকে আনতে তিনি ভারতের সেভেন সিস্টার্স বা উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকেও উপেক্ষা করতে ছাড়েন নি। চীনকে বাংলাদেশের বন্দর দান করতে ভারতের সাতটি রাজ্যের প্রসঙ্গ তুলে এনেছেন নোবেল জয়ী।
আর মোহাম্মদ ইউনুসের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের ফলে অনেকটাই চাপে পড়বে বাংলাদেশ। কারণ ভারতের স্পর্শকাতর অংশ চিকেন নেক দখলের দাবি করেছে ইউনুস। এবার ভারত পাল্টা কোনো পদক্ষেপ করলে কোথায় পালাবে বাংলাদেশ? এর সঙ্গে যদি বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নতুন কোন পরিকল্পনা করে তাতে সরকার পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে প্রবল।
Discussion about this post